ঢাকা ২০ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ আব্দুস সাদেক আর নেই প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যেসব বিষয় গুরুত্ব পাবে টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে নেমে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু পেনশনে বড় সুখবর, বাড়বে আর্থিক সুবিধা মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের কড়া হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শরণখোলায় ইউএনওর বাসভবন থেকে সাপ উদ্ধার কালিয়াকৈরে সেই কারখানায় পানি পান করে আবারও হাসপাতালে শ্রমিকরা দেশে খাদ্যশস্যের মজুদ ২০ লাখ ৬০ হাজার টন ছাড়িয়েছে দেশের বাজারে সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমলো নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ-ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার

“নির্বাচন প্রক্রিয়া ক্ষুন্ন করলে ভিসা নীতি প্রয়োগ”

#

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩,  9:01 PM

news image

-অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া-

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি ঘোষণার প্রায় চার মাসের মাথায় গত শুক্রবার থেকে এই ভিসা নীতি প্রয়োগের ঘোষণা জানান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। তার বিবৃতিতে উঠে এসেছে যে ভিসা নীতির আওতায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলের সদস্যরা অন্তর্ভূক্ত রয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ণ করার জন্য দায়ী বা জড়িত হিসেবে প্রমাণিত অন্য ব্যক্তিরাও ভবিষ্যতে এই নীতির অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য অযোগ্য বিবেচিত হতে পারেন বলে উঠে এসেছে খবরে। পাশাপাশি, ভিসা নীতির আওতায় থাকা ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরাও যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য বিবেচিত হতে পারেন বলে জানানো হয়েছে।

বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার একান্ত প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে  বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে। বাঙালিরা ফিরে পেয়েছে ভাত ও ভোটের অধিকার। বাঙালি জনগণের এই গণতান্ত্রিক চর্চাকে অব্যাহত রাখতে জনগণের সমর্থন ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগ সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অতীতের ন্যায় আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটের অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদানে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের শহীদের রক্তে লিখিত সংবিধান অনুযায়ী গঠন করা হয়েছে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন। জনগণের সমর্থন ও শক্তিতে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার। রাতের আঁধারের ভোটে বা বিদেশি কোনো শক্তির উপর ভর করে ক্ষমতা ধরে রাখার পক্ষে নন আওয়ামী লীগ সরকার। আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান শক্তি বাংলাদেশের জনগণ। জনগণের সমর্থনে বাংলাদেশ সরকারের ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ অতীতে এসেছে এবং আগামীতেও আসবে।

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পূর্ব ঘোষিত ভিসা নীতি কার্যকরের এই ঘোষণা মূলত আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনে বাঁধা প্রদান করতে পারে এমন সকল ব্যক্তি ও দলের জন্য সতর্কতামূলক ঘোষণা। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ভিসা নীতি পূর্বে ঘোষিত বিশ্বের অন্য কোনো রাষ্ট্রে কার্যকর হওয়ার তেমন কোনো ইতিহাস নেই তাও বাংলাদেশের বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার এই ভিসা নীতিকে সাদরে গ্রহণ করেছে। কারণ সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীদের জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতির মাঝে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সংঘটন নিয়ে অনেকটাই সন্দিহান ছিলো। সেই ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ভিসা নীতি বিএনপি-জামায়াতের আগুন সন্ত্রাসকে উপেক্ষা করে সরকারকে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সংঘটনের নিশ্চয়তা প্রদান করেছে। এই ভিসা নীতির ফলে সন্ত্রাসী সংগঠন বিএনপি এবং জামায়াত আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াও করে বাঙালি জনগণের মনে ত্রাস সৃষ্টি করে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার আর কোনো ধরনের সুযোগ নেই। কারণ আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াও করে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ক্ষুন্ন করলেই তাদের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ভিসা নীতির প্রয়োগ হবে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি নিয়ে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ‘টেনশন, উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা’ কোন কিছুই নেই। কারণ এই ভিসা নীতি আওয়ামী লীগ সরকারকে একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সংঘটনে সহায়তা করবে। এই ভিসা নীতি কার্যত বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চর্চাকে গতিশীল করতে অনেক বেশি ভুমিকা রাখবে বলে আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন যেমন ফেইক ভোট যেন না হয়, সেজন্য ভোটারের ফটো আইডি করে দিয়েছেন এবং বিএনপি-জামায়াত জোটের সময়ে রাতের অন্ধকারে ভোট হয়ে যাওয়ার যে প্রক্রিয়া তা বন্ধ করতে বাংলাদেশ সরকার শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন, স্বচ্ছ ট্রান্সপারেন্ট ব্যালট বাক্স তৈরি এবং তার মাধ্যমে সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ব্যবস্থা করে আসছে বছরের পর বছর। বর্তমান আওয়ামিলীগ সরকার মূলত জনগণের সরকার এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩০টি আসন লাভ করে বর্তমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণের সমর্থন নিয়ে এবং জনগণের ভোটে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে। জনগণ তাদের সমর্থন এবং ভোট দিয়ে স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি বিএনপিকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল যারা রাতের আঁধারে ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছিল এবং বাংলাদেশের জনসাধারণের জীবনকে মারামারি, জ্বালাও পোড়াও, চুরি, ডাকাতি,দুর্নীতি,লুটপাট এসবের মাধ্যমে বিষিয়ে তুলেছিল। অপরদিকে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বর্তমান সরকার সাড়ে ১৪ বছর ধরে বাংলাদেশের জনসাধারণের সমর্থন এবং ভালোবাসায় বাংলাদেশকে এবং বাংলাদেশের মানুষকে বছরের পর বছর উন্নয়নের সর্বোচ্চ পর্যায়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান আওয়ামিলীগ সরকার সবসময়ই জনগণের উপর বিশ্বাস রাখে এবং জনগণের ভোটের মাধ্যমেই তারা ক্ষমতায় পরপর একটানা ৩ বার ক্ষমতায় এসেছে এবং সামনেও আসার বিশ্বাস রাখছে।

অপরদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত এই ভিসা নীতি এবং তা কার্যকরের ঘোষণা বিএনপি-জামায়াতের মাঝে ত্রাসের সৃষ্টি করেছে। কারণ জনগণের সমর্থনহীন এই সংগঠনগুলোর রাজনীতির ভিত্তিই হলো জ্বালাও-পোড়াও এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। তাঁরা খুব ভাল করেই জানে যে বাংলাদেশের জনগণ তাঁদেরকে আর চাইনা। জনগণের সমর্থন বিচ্ছুরিত এই বিএনপি-জামায়াত আর কোনো উপায় না পেয়ে আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াও করে দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে অস্বাভাবিক করে পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসীন হওয়া প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

অতীতেও আমরা দেখেছি ২০১৪ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপি জামায়াতের দেশব্যাপী হরতাল অবরোধের ধারাবাহিকতায় আগুন সন্ত্রাসের অবর্ণনীয় কার্যক্রম। এর ফলশ্রুতিতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল দেশের আপামর জনসাধারণ। শিশু ও নারীরাও তাদের এ ভয়াবহ কর্মকান্ড থেকে রক্ষা পায়নি। মানুষের মনে আতঙ্ক ও ভয়ের সৃষ্টি হয়েছিল, একটি অস্থিতিশীল ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল জনগণ। জনগণ কখনোই ঐ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাইবে না। ২০১৪ সালে বাংলাদেশে যে অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, অসংখ্য মানুষ জ্বালাও পোড়াও রাজনীতির শিকার হয়ে নিহত হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে হাজার হাজার মানুষ, বিনষ্ট হয়েছে অজস্র সম্পদ।

বিএনপি-জামায়াত জোটের এমন জ্বালাও পোড়াও নীতির ফলে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের জনগণের জীবনে যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে তা ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি প্রথম আলো পত্রিকার এক প্রতিবেদন থেকে অনুধাবন করা যাক। ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়, হরতাল-অবরোধের নামে বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাসের কারণে গড়ে প্রতিদিন ২ হাজার ২৭৮ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে রাষ্ট্রের। এমনকি এই ক্ষতির পরিমাণ পরবর্তীতে বেড়ে গড়ে প্রতিনিদ আড়াই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়।

নাশকতার প্রথম ১৬ দিনে ক্ষতির পরিমাণ ৩৬ হাজার ৪৪৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, যা বছরের দেশজ উৎপাদনের প্রায় ৩ শতাংশ। সন্ত্রাসের কারণে অভ্যন্তরীণ হিসেবেও প্রতিদিন গড়ে কৃষিখাতে ২৮৮ কোটি, পোল্ট্রি শিল্পে ১৮ কোটি ২৮ লাখ, হিমায়িত খাদ্যে ৮ কোটি, পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ৩০০ কোটি, পর্যটন শিল্পে ২০০ কোটি, আবাসন খাতে ২৫০ কোটি, শপিং কমপ্লেক্সসসহ দোকানপাট খাতে ১৫০ কোটি, প্লাস্টিক পণ্য খাতে ১৭ কোটি ৮৫ লাখ এবং বীমা খাতে ১৫ কোটি টাকা করে ক্ষতি হয়েছে।

অবরোধের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে ২৬ হাজার কনটেইনার আটকা পড়ে। ফলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কাঁচামাল সরবরাহ ব্যাহত হয়। বিভিন্ন স্থলবন্দর থেকে ব্যবসায়ীরা পণ্য খালাস করতে না পারায় প্রতিদিন তাদের অন্তত ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়। একদিনের অবেরাধের কারণে ৬৯৫ কোটি টাকার পোশাক রফতানি বাধাগ্রস্ত হয়। প্রাত্যহিক ক্ষতির পরিমাণ ১৪৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। শিল্প কারখানাগুলোতেও সক্ষমতার চেয়ে ২৫ শতাংশ কম উৎপাদন হয়। ফলে প্রতিদিন উৎপাদন কম হয়েছে প্রায় ২১৯ কোটি টাকার।

সুতরাং বিএনপি-জামায়াত মানেই জ্বালাও-পোড়াও এবং সন্ত্রাসী। অন্যদিকে  জ্বালাও-পোড়াও এবং সন্ত্রাসী মানেই জনগণ ও বাংলাদেশের অবর্ণনীয় এবং অপূরণীয় ক্ষতি। বাংলাদেশের জনগণ জনদূর্ভোগ সৃষ্টিকারী সন্ত্রাসী এবং জঙ্গিবাদী এই বিএনপি-জামায়াতকে বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনগুলোতে প্রত্যাখান করে জনগণের সমর্থন ও শক্তিতে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগ সরকারকে বিপুল ভোটে জয়ী করে ক্ষমতায় আসীন করেছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তার ধারাবাহিকতা রক্ষা হবে। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত এই ভিসা নীতির ফলে সন্ত্রাসী সংগঠন বিএনপি-জামায়াত এখন আর আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াও করে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার কোন সুযোগই পাবেনা। আর যদিও জ্বালাও-পোড়াও করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে চাই তাহলে তাঁদের উপর প্রয়োগ হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ভিসা নীতি। আমরা আশা করছি যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত এই ভিসা নীতির ফলে বিএনপি-জামায়াতের জ্বালাও-পোড়াও এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে গঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের দ্বারা সংঘটিত একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে অতীতের ন্যায় জনগণের বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বরাবরের মতো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ক্ষমতায় আসবে। এই ক্ষেত্রে কোনোরকম বাঁধা সৃষ্টি করলেই বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মী ও তাঁদের পরিবারের সকলে পড়বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতির আওতায়। বিএনপি-জামায়াতকে এই কথা ভুলে গেলে চলবেনা।

লেখক: অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া
ট্রেজারার
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
সাবেক চেয়ারম্যান
ট্যুরিজম অ্যান্ড হস্পিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।


logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম