ঢাকা ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় বিস্ফোরণের পর আগুন, নিহত ৭ হাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যু, ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি বেকারত্ব কমাতে কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষায় জোর দেওয়ার তাগিদ রাষ্ট্রপতির প্রথম স্ত্রীসহ এমপি নজরুল ইসলাম রিমান্ডে ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক এনসিপির, সন্ধ্যায় মিছিল সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি নৌসদস্যের মৃত্যু জাতীয় গ্রিডে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহে ইউনিয়ন পরিষদকে ‘বড় বরাদ্দ’ দেশের স্বার্থ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর: মাহদী আমিন স্বাস্থ্যখাতের ওপর সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রাজার রাজকীয় সেঞ্চুরিতে লজ্জার হার বাংলাদেশের

#

স্পোর্টস ডেস্ক

০৬ আগস্ট, ২০২২,  3:34 AM

news image

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হেরেছিল বাংলাদেশ। এরপর অনেকে বলেছিলেন, ওয়ানডে সিরিজে পুষিয়ে দেবে তামিম ইকবাল বাহিনী। কিন্তু নিজেদের প্রিয় ফরম্যাটেও লজ্জার হারে সিরিজ শুরু হলো টাইগারদের। তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ম্যাচে শুক্রবার (৫ আগস্ট) বাংলাদেশকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। লাল সবুজদের ৩০৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনোসেন্ট কাইয়া ও সিকান্দার রাজার সেঞ্চুরিতে ১০ বল হাতে রেখে জয় পায় জিম্বাবুয়ে। ৩০৪ রানের লক্ষ্য দিয়ে জিম্বাবুয়ে শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন টাইগার পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তার শিকারে পরিণত হয়ে ফিরে যান রেগিস চাকাভা। ফিজের অফ কাটার চাকাভার ব্যাটে লেগে চলে যায় লেগ স্টাম্পে। ৬ বলে মাত্র ২ রান করেন জিম্বাবুইয়ান ওপেনার। ফিজের পর বোলিংয়ে এসে উইকেট নেন শরিফুল ইসলামও। শরিফুলের বলে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে ক্যাচ দেন তারিসাই মুসাকান্দা। এরপর ইনোসেন্ট কাইয়া ও ওয়েসলে মেধেভেরে মিলে গড়েন ৫৬ রানের জুটি। ধীরে ধীরে ইনিংস বড় করছিলেন এ দুজন।

ঠিক তখনই টাইগারদের হয়ে ব্যাকথ্রু এনে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। মাহমুদউল্লার কাছ থেকে বল পেয়ে মেধেভেরেকে রানআউট করেন তিনি। ২৭ বলে ১৯ রান করেন মেধেভেরে। ৩ উইকেট হারিয়ে ফেললেও ইনোসেন্ট কাইয়া ও সিকান্দার রাজার ব্যাটে প্রতিরোধ বেষ্টনী গড়ে জিম্বাবুয়ে। দুজনে মিলে করেছেন ১৯২ রানের জুটি। কাইয়া ও রাজা, দুজনেই পান সেঞ্চুরির দেখা। সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে কাইয়ার ১১৫ বল ও রাজার ৮১ বল লাগে। মোসাদ্দেকের বলে আউট হওয়ার আগে কাইয়া করেন ১১০ রান। এটা তার ক্যারিয়ারের প্রথম শতক। সিকান্দার রাজা টিকে ছিলেন জয় পাওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত। ১৩৫ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে ফেরেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৬টি ছয়ের মার। বাকিদের মধ্যে লুক জংউই ২৪ ও মিল্টন শুম্বা ১ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে একটি করে উইকেট পান মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান ও মোসাদ্দেক হোসেন। এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করে ২ উইকেটের বিনিময়ে ৩০৩ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। শুরুটা করেছিলেন তামিম-লিটন, শেষটা করেন মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিক। তিন বছর পর মাঠে ফেরা বিজয়ও খেল দেখালেন। স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারের পর প্রিয় ফরম্যাটে খেলতে নেমেই চেনা ছন্দে ছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রথম চারজন ব্যাটারই ফিফটির দেখা পান এ ম্যাচে। এমন ঘটনা বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাস দ্বিতীয়বার দেখার সুযোগ পেয়েছে। ওপেনিংয়ে নেমে তামিম ইকবাল ও লিটন মিলে গড়েন শত রানের জুটি। তাদের জুটি ভাঙে তামিম ৬২ রান করে বিদায় নিলে। লিটন রিটায়ার্ড হার্ট হওয়ার আগে করেন ৮১ রান। এরপর এনামুল বিজয়ের ব্যাট থেকে ৭৩ ও মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে ৫২ রান আসে। মাহমুদউল্লাহ ১২ বলে করেন ২০ রান। জিম্বাবুয়ের হয়ে একটি করে উইকেট নেন ভিক্টর নাইয়াচি ও সিকান্দার রাজা।


logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম