ঢাকা ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক: ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের শাহবাগে অবস্থান রাজস্ব বাড়াতে এনবিআরের ‘থ্রি-আর’ পরিকল্পনা আইডিয়াল ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ শিগগিরই জ্বালানি সংকট কেটে যাবে: জ্বালানিমন্ত্রী ‘এআই রোবট কচ্ছপ’ বানিয়ে তাক লাগাল কিশোর হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু রাড্ডায় ভাঙচুরে শাহ আলী থানার ওসির দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৫ অক্টোবর থেকে শুরু নোবেল পুরস্কার ঘোষণা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন ৩ নভেম্বর

বোর্ড পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতায় শিক্ষার্থীদের সময় নষ্ট হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ এপ্রিল, ২০২৬,  9:40 PM

news image

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বোর্ড পরীক্ষার দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ক্ষতিকর। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে টেকনিক্যাল কোর্স অন্তর্ভুক্তকরণ সংক্রান্ত এক জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বর্তমানে বোর্ড পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপে— প্রশ্ন প্রণয়ন, খাতা মূল্যায়ন, ফল প্রকাশসহ নানা কাজে অতিরিক্ত সময় ব্যয় হয়। এসব কাজের জন্য কর্মকর্তারা বিভিন্ন সুবিধা পেলেও শিক্ষার্থীদের দুই বছর পর্যন্ত সময় নষ্ট হয়ে যায়। ১২ মাস চাকরি করে আটটা বোনাস নেওয়া যাবে, কিন্তু শিক্ষার্থীদের সময় নষ্ট হবে— এটা হতে পারে না। মন্ত্রী বলেন, আমি মনে করেন, মেধাবী শিক্ষকদের প্রশাসনিক কাজে না রেখে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে নিয়োজিত রাখা জরুরি। তিনি আরও বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু পরিদর্শক ধীরে ধীরে অনিয়মে জড়িয়ে পড়ছেন বলে তার কাছে তথ্য এসেছে। এ বিষয়ে কঠোর নজরদারি করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের বিদেশ প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি বলেন, অনেকেই বিদেশে প্রশিক্ষণ নিলেও দেশে ফিরে তার বাস্তব প্রয়োগে আগ্রহী নন। এ প্রবণতা বন্ধে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন— যে কর্মকর্তা মন্ত্রণালয়ে আসবেন, তাকে ন্যূনতম তিন বছর দায়িত্ব পালন করতে হবে। ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে যথাযথ লাইসেন্স, নিবন্ধন বা নিরাপত্তাব্যবস্থা ছাড়া এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে। কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। পরীক্ষায় নকল বন্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রচলিত নকল কমলেও এখন ডিজিটাল নকলের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় মৌলিক সংস্কার করতে চায়। এ জন্য সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি টেকনিক্যাল ও লাইফ-ভিত্তিক শিক্ষা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের বৃহত্তম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে কলেজগুলোতে নিয়মিত মনিটরিং ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেন এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ এমানুয়েল আব্রিউক্স।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম