ঢাকা ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ভারত নির্বাচনে মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না: রিজওয়ানা হাসান টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে মোস্তাফিজের উন্নতি জান্নাতের টিকিট বিক্রিকারীরা মুনাফেক: পার্থ বাংলাদেশের নির্বাচন নিজস্ব উদ্যোগে পর্যবেক্ষণ করবে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাংকের ধস সামলাতে হাজার হাজার কোটি টাকা ছাপাতে হয়েছে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা আমরা সবাই মিলেমিশে সামনে এগোতে চাই: জামায়াত আমির যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ ফাঁড়ির টয়লেট থেকে কনস্টেবলের মরদেহ উদ্ধার আসন্ন নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট করলেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেউ উসকানিমূলক কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ডে পা দেবেন না : মির্জা আব্বাস ৭ম গগণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্তদের ১১ দফা নির্দেশনা দিলো এনটিআরসিএ

বেশি পানি পানে হতে পারে কিডনির ক্ষতি

#

২৬ অক্টোবর, ২০২৫,  11:43 AM

news image

শরীরে তরলের ভারসাম্য রক্ষা করতে পানি অত্যন্ত উপকারী। মানবদেহের প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ অংশই পানি দিয়ে গঠিত। জীবনধারণের জন্য পানি একেবারেই অপরিহার্য। দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, হজম প্রক্রিয়া সহজ করা, রক্ত সঞ্চালন ও কোষের পুষ্টি পরিবহনসহ নানা কারণে পানি পানের বিকল্প কল্পনা করাই যায় না। তবে গবেষণা বলছে বেশি পানি পানে রয়েছে কিডনির ক্ষতির আশঙ্কা। হার্ভার্ডের এক গবেষণা বলছে, বেশি পানি পান শরীরের জন্য ভালো নয়। কিডনি নির্দিষ্ট পরিমাণ পর্যন্ত পানি ফিল্টার করতে পারে। সাধারণত এক ঘণ্টায় কিডনি প্রায় ০.৮–১ লিটার পর্যন্ত পানি প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম। এর বেশি হলে কিছু ক্ষতি দেখা দিতে পারে--

১. কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে:

পানি বেশি পান করলে কিডনিকে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি পানি ফিল্টার করতে হয়, ফলে কোষে চাপ পড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদে কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে।

২. ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য নষ্ট হয়:

অতিরিক্ত পানি রক্তে সোডিয়াম ও অন্যান্য খনিজ পদার্থকে পাতলা করে ফেলে (হাইপোনাট্রেমিয়া), যা কিডনির কাজের গতি ব্যাহত করে।

৩. কোষে ফোলা ও ক্ষতি:

পানি বেশি হলে কোষে অতিরিক্ত তরল ঢুকে কোষ ফুলে যায়। এটি কিডনির টিস্যুকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, একজন সুস্থ পুরুষের জন্য দৈনিক প্রায় ৩.৭ লিটার বা প্রায় ১৩ কাপ তরল পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়। একজন সুস্থ নারীর জন্য দৈনিক প্রায় ২.৭ লিটার বা প্রায় ৯ কাপ তরল পান করার পরামর্শ রয়েছে। তবে পানির পরিমাণ নির্ভর করে শরীরের, ওজন, শারীরিক পরিশ্রম, তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার ওপরে। এসব বিষয়ের সঙ্গে ব্যক্তিভেদে পানি পানের পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।

সূত্র: হেলথলাইন, হার্ভার্ড

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম