ঢাকা ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ফেনী জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি ১০ টি, জামায়াত ৪ টি পদে বিজয়ী রমজানে মেট্রোরেল চলাচলের নতুন সময়সূচি প্রকাশ শপথ নিল জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য প্রস্তুত ৪৫ গাড়ি সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান নড়াইলে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির বাড়িতে অগ্নিসংযোগ দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নেবে না বিএনপি, জানালেন সালাহউদ্দিন জুলাই শহীদ-দেশবাসীর আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে হবে: জোনায়েদ সাকি কুমিল্লায় প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশুকে গলা কেটে হত্যা

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় দুর্বিত্তের হামলায় কুনা মিয়ার বসত ঘর তছনছ, আহত ৫

#

১৬ নভেম্বর, ২০২৩,  11:13 AM

news image

ফেনী প্রতিনিধি: ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার লক্ষিপুর গ্রামের বড়বাড়ির কুনা মিয়ার টিনের বসত ঘর ভেঙ্গে তছনছ করেছে দুর্বিত্তরা । দুর্বিত্তের হামলায় ৫ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। বসত ঘরের মালিক কুনা মিয়ার পুত্র মো: মিজান সাংবাদিকদের জানান,  ১৪ নভেম্বর মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১ টায় একই বাড়ির মৃত আবদুল হকের পুত্র, ছাগলনাইয়া স্কয়ার হাসপাতালের এমডি একরামুল হক , এমদাদুল হক, আমিনুল হকের পুত্র সাহাব উদ্দিন , মোমিনুল হক, মিজান উদ্দিন খোকন, জাহাঙ্গিরের পুত্র মেহেদী ও মিরাজ সহ অজ্ঞাত ২০ থেকে ৫০ জন বহিরাগত লোক নিয়ে এসে বন্ধুক, রাম দা, ছেনি, লাঠি ও ইট নিক্ষেপ করে বসত ঘর তছনছ করে। এসময় বসত ঘর রক্ষার জন্য এগিয়ে আসলে দুর্বিত্তরা বাদী পক্ষের কুনা মিয়ার পুত্র নুরনবীকে বন্ধুক ঠেকিয়ে ধরে নিয়ে বাড়ির একটি গাছের সাথে বেধে কিল ঘুশি ও লাঠি সোটা দিয়ে আঘাত করে।

এক পর্যায়ে বিবাদী মোমিনুল হক ধারালো অস্র দিয়ে নুরনবীর মাথায় কোপ মারে। এসময় নুরনবীর স্ত্রী ও পুত্রের শোর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে দুর্বিত্তরা পালিয়ে যায়। পরে আহত নুরনবীকে ফেনী সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার মাথায় ৭ সেলাই দেয়া হয়। অন্যন্য আহত নুরনবীর স্ত্রী জোসনা বেগম (৩৮), তাদের সন্তান সামিয়া (১৭), উর্মি ( ১৩) এবং রামিম (৭) গুরুতর অবস্থায় ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয় । আহতরা ফেনীর বিভিন্ন হাসপাতালে এখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তেছে। স্থানীয়রা জানান, ২০ থেকে ৫০ জন লোক ঘর ভাংচুর করেছে। স্থানীয়রা তাৎক্ষনিক পুলিশকে ফোন করে সহযোগিতা কামনা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এবিষয়ে অভিযুক্ত ছাগলনাইয়া স্কয়ার হাসপাতালের এমডি একরামুল হক ঘটনার দিন বাড়িতে ছিলেন না বলে সাংবাদিকদের  জানান। ফেনীর সহকারী পুলিশ সুপার ( ছাগলনাইয়া সার্কেল) মো: ওয়ালী উল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, এটি দুই পক্ষের জায়গা জমি নিয়ে বিষয়। দুই পক্ষেরই জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান। ১৪৫ জারি করা আছে। ইতিমধ্যে যে ঘটনাটি ঘটেছে, আমরা তাৎক্ষনিক পুলিশ পাঠিয়েছি। পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। আমরা তাদেরকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম