ঢাকা ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক: ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের শাহবাগে অবস্থান রাজস্ব বাড়াতে এনবিআরের ‘থ্রি-আর’ পরিকল্পনা আইডিয়াল ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ শিগগিরই জ্বালানি সংকট কেটে যাবে: জ্বালানিমন্ত্রী ‘এআই রোবট কচ্ছপ’ বানিয়ে তাক লাগাল কিশোর হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু রাড্ডায় ভাঙচুরে শাহ আলী থানার ওসির দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৫ অক্টোবর থেকে শুরু নোবেল পুরস্কার ঘোষণা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন ৩ নভেম্বর

প্রাথমিকের ১ কোটি ৪০ লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য সুখবর

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ মার্চ, ২০২৬,  9:00 PM

news image

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া কমাতে নতুন ‘প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম বাস্তবায়ন অপারেশনাল ম্যানুয়াল ২০২৬’ প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থী উপবৃত্তির আওতায় আসবে। একই সঙ্গে অর্থ বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে সরাসরি অভিভাবকের কাছে টাকা পাঠানো হবে। সম্প্রতি প্রকাশিত অপারেশনাল ম্যানুয়াল অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির প্রতিটি শিক্ষার্থী মাসে ৭৫ টাকা হারে উপবৃত্তি পাবে। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ক্ষেত্রে পরিবারের একজন শিক্ষার্থী হলে ১৫০ টাকা এবং দুইজন শিক্ষার্থী হলে ৩০০ টাকা করে দেওয়া হবে। এ ছাড়া যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি চালু রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী ২০০ টাকা এবং দুইজন হলে ৪০০ টাকা মাসিক উপবৃত্তি পাবে। তবে একটি পরিবারের সর্বোচ্চ দুইজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী এই সুবিধা পাবে। উপবৃত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রাক-প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের প্রতি মাসে পাঠদান দিবসের কমপক্ষে ৮০ শতাংশ দিন উপস্থিত থাকতে হবে। এছাড়া দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পূর্ববর্তী বার্ষিক পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর অর্জন করতে হবে। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তাদের জন্য ৩৩ শতাংশ নম্বর এবং উপস্থিতির ক্ষেত্রে আংশিক ছাড় রাখা হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় উপবৃত্তির অর্থ সরাসরি শিক্ষার্থীর মা বা বৈধ অভিভাবকের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত সক্রিয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস-যেমন বিকাশ, নগদ বা রকেট অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। সরকারের জিটুপি পেমেন্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরাসরি এই অর্থ সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। ক্যাশআউট চার্জসহ টাকা পাঠানো হবে বলে অভিভাবকদের আলাদা কোনো খরচ দিতে হবে না। নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, উপবৃত্তির অর্থ পাওয়ার পর মোবাইল অ্যাকাউন্টের পিন বা ওটিপি কাউকে দেওয়া যাবে না। টাকা পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তা উত্তোলন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কোনো শিক্ষার্থী যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া টানা তিন মাস অনুপস্থিত থাকলে বা পরীক্ষায় অংশ না নিলে তার উপবৃত্তি সাময়িকভাবে স্থগিত হতে পারে বলেও নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম