ঢাকা ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ভারত নির্বাচনে মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না: রিজওয়ানা হাসান টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে মোস্তাফিজের উন্নতি জান্নাতের টিকিট বিক্রিকারীরা মুনাফেক: পার্থ বাংলাদেশের নির্বাচন নিজস্ব উদ্যোগে পর্যবেক্ষণ করবে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাংকের ধস সামলাতে হাজার হাজার কোটি টাকা ছাপাতে হয়েছে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা আমরা সবাই মিলেমিশে সামনে এগোতে চাই: জামায়াত আমির যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ ফাঁড়ির টয়লেট থেকে কনস্টেবলের মরদেহ উদ্ধার আসন্ন নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট করলেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেউ উসকানিমূলক কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ডে পা দেবেন না : মির্জা আব্বাস ৭ম গগণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্তদের ১১ দফা নির্দেশনা দিলো এনটিআরসিএ

‘সংক্রমণ বাড়লেও এখনই বন্ধ হচ্ছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান’

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ জানুয়ারি, ২০২২,  3:04 PM

news image

দেশে করোনার সংক্রমণ বাড়লেও এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেছেন, যতদূর সম্ভব জীবন স্বাভাবিক রেখে স্বাস্থ্যবিধি ভালোভাবে মেনে করোনার মোকাবিলা করাটাই সিদ্ধান্ত। সাভারের বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) আজ রোববার সকালে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলীদের প্রথম বিশেষ বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্‌বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন,

‘করোনার সংক্রমণ ঊর্ধ্বগামী। কিন্তু, আমরা এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা ভাবছি না। কারণ, আমাদের টিকাদানের কর্মসূচি খুব জোরদারভাবে চলছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে সে টিকাদান কর্মসূচিতে ভাটা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।’ দীপু মনি আরও বলেন. ‘আমরা পর্যালোচনা করছি, গভীরভাবে পর্যবক্ষণ করছি। এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের সংক্রমণের তথ্য পাইনি।’ মন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ব্যপারটাতে নজর রাখছে। জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখছি।’ বড় কোনো প্রয়োজন দেখা দিলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা ভাবা হবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যতদূর সম্ভব জীবন স্বাভাবিক রেখে আমাদেরকে স্বাস্থ্যবিধি ভালোভাবে মেনে করোনার মোকাবিলা করতে হবে। সেটাই সিদ্ধান্ত।’ উদ্‌বোধন অনুষ্ঠানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আরিফুর রহমান, বিপিএটিসির রেক্টর রমেন্দ্রনাথ বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। দুই মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কোর্সে ২৯ জন সহকারী শিক্ষা প্রকৌশলী অংশগ্রহণ করেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম