ঢাকা ১৭ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাংবাদিকদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপারের পরিচিতি সভা লিটনের অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরি, ধ্বংসস্তূপ থেকে টানছেন টাইগারদের বাগদাদে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু সারা হয়ে আসছেন মৌ ডিজিটাল সার্ভে কনসালটেন্ট-এর উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জাবি ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টাকারীর সন্ধান চেয়ে পুরস্কার ঘোষণা ফারাক্কা চুক্তিই বলে দেবে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকবে কি না: মির্জা ফখরুল অর্থনীতি ঋণাত্মক অবস্থায়, ঘুরে দাঁড়াতে লাগবে অন্তত ২ বছর: অর্থমন্ত্রী ফারাক্কা ব্যারাজের বিরূপ প্রভাব শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতেও পড়ছে: রিজভী

হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপ পরিকল্পনায় অনুমোদন দিলো ইরান

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৩১ মার্চ, ২০২৬,  11:24 AM

news image

বিশ্বে জ্বালানি তেল ও পণ্য পরিবহনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌ-পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করা জাহাজগুলো থেকে টোল আদায়ের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ইরানের সংসদীয় কমিটি। দেশটির বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সঙ্গে সম্পর্কিত সংবাদ সংস্থা ফারস এই তথ্য জানিয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের একজন সদস্য এ পরিকল্পনা অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলের জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে বাধা দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। পরিকল্পনায় আরও বলা রয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য দেশকেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে নিষিদ্ধ করা হবে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নতুন টোল ব্যবস্থা ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ঘোষণা করেছে। এতে বলা হয়েছে, ওমানের সহযোগিতা নিয়ে এ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হবে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ করা হয়। যুদ্ধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের মজুত দ্রুত কমতে শুরু করেছে। যুদ্ধের মধ্যে তেহরান এটিকে কূটনৈতিক চাপ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করায়, এ নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে।

ইরান কেন টোল আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে

ইরানের জলসীমা হরমুজ প্রণালি পর্যন্ত বিস্তৃত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করার পর দেশটির উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী জাহাজগুলোর চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা যুদ্ধের আগের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলো জ্বালানি বিতরণ সীমিত করতে ও শিল্প উৎপাদন কমাতে বাধ্য হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে ইরানের কাছে দেনদরবার করছে। কারণ, উপসাগরীয় বেশির ভাগ দেশ থেকে তেল ও গ্যাস রপ্তানির জন্য এটাই একমাত্র সমুদ্রপথ। যুদ্ধ শেষ করার শর্ত হিসেবে ইরান পাঁচটি দাবির একটি হিসেবে হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের কর্তৃত্বের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চেয়েছে। ইরানের পার্লামেন্ট সদস্য আলায়েদ্দিন বোরৌজারদি গত রোববার যুক্তরাজ্যভিত্তিক পার্সি ভাষার স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনালকে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি পেরোতে কিছু কিছু জাহাজ থেকে ২০ লাখ ডলার ফি নিচ্ছে ইরান। বোরৌজারদি বলেন, এখন যেহেতু যুদ্ধের একটা খরচ আছে, তাই স্বাভাবিকভাবেই আমাদের এটা করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলো থেকে ট্রানজিট ফি নিতে হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম