ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হাম উপসর্গে একদিনে ৬ মৃত্যু, ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি রোজার পরই এসএসসি পরীক্ষা, পেছানোর কারণ নেই: শিক্ষামন্ত্রী র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বিজিবিকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ মাতুয়াইলে জিসান হত্যা: শেখ হাসিনা-জয়-ওবায়দুল কাদেরসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল এবার রাবি শিক্ষিকার ব্যাগ টান দিলো ছিনতাইকারী শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা: প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল নবম পে স্কেল: ৩০ শতাংশ দিয়ে শুরু, বেতন বাড়বে ৪ ধাপে আপাতত একনেকে উঠছে না মেট্রোরেলের দুই প্রকল্প

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৩ এপ্রিল, ২০২৫,  7:17 PM

news image

মাগুরায় আলোচিত শিশু আছিয়া খাতুন ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এছাড়া আগামী রোববার (২৭ এপ্রিল) ধার্য হয়েছে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন। বুধবার (২৩ এপ্রিল) মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ এম জাহিদ হাসান এ অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় আদালতে সব আসামি উপস্থিত ছিলেন। বাদীপক্ষের প্রধান আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহেদ হাসান টগর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  এর আগে, গত ১৩ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলাউদ্দিন রাত ১০টার দিকে জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল মতিনের আদালতে মামলার চার্জশিট জমা দেন। চার্জশিটে মামলার ৪ আসামিকেই অভিযুক্ত করা হয়। চার্জশিটে বলা হয়, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি হিটু শেখকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়াও নিহত শিশুর বোন জামাই সজিব শেখ ও তার (সজিবের) ভাই রাতুল শেখকে খুন জখমের ভয়-ভীতি প্রদর্শন এবং বোনের শাশুড়ি জাহেদা বেগমকে তথ্য গোপনের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। উল্লেখ্য, গত ১ মার্চ মাগুরা সদরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে যায় শিশু আছিয়া। ৫ মার্চ বুধবার রাতে ধর্ষণের শিকার হয় ৮ বছরের শিশুটি। এ ঘটনার পর মাগুরা ছাড়াও সারাদেশে শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে নামেন। পুলিশ প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে শিশুটির বোনের বাড়িতে বসবাসরত চারজনকে আটক করে। শিশুটির মায়ের দায়েরকৃত মামলাতেও ওই চারজনকে আসামি করা হয়। এদিকে ধর্ষণের ঘটনার পর শিশুটিকে প্রথমে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এবং পরে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় শিশুটি। এ ঘটনার পর পুলিশের রিমান্ড চলাকালে মামলার মূল আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ গত ১৫ মার্চ বিকেলে মাগুরার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন, যেখানে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় তিনি একাই জড়িত বলে স্বীকার করেন। 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম