NL24 News
১৫ জুলাই, ২০২৩, 4:41 PM
জামায়াতের চুপ রাজনীতি সবসময়ই ভয়ংকর
-অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া-
বাংলাদেশের ইতিহাসে জামায়াত ইসলামের রাজনীতি ছিল সব সময় ছিল ভয়ঙ্কর ও দেশবিরোধী। বাংলাদেশের সবচাইতে পুরাতন একটি রাজনৈতিক দল জামায়েত ইসলামী। তারা মূলত ইসলামী বলে রাজনীতি করলেও সব সময় তাদের কাজ ছিল ইসলামবিরোধী ,জনবিরোধী, দেশ বিরোধী ও সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে, ৬২ শিক্ষা আন্দোলন ৬৬ ছয় দফা ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ সব সময়ই জামায়াতের কর্মকা- ছিল বিতর্কিত। ১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে যখন লাখো মানুষ দেশের মুক্তির জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠিক তখন জামায়াতের ভূমিকা ছিল নিশ্চুপ ও বিরোধিতাপূর্ণ। সব সময় দেশের জন্য ভয়ংকর ছিল। তারা মূলত নিষ্ঠুর থেকে দেশের উন্নয়ন কাঠামো ও দেশ বিক্রির মত নানান রকম ষড়যন্ত্রে দীপ্ত থাকে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। বিরোধিতা করেই ক্ষান্ত হয় থাকেননি তারা বাংলাদেশের মা-বোনদের অত্যাচার ধর্ষণ ও পাকিস্তানিদের হাতে তুলে দিয়েছিল। ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকা-ের সময়ও জামায়া ত নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডে জামায়াতের হাত রয়েছে এই বিষয়টি আজ প্রমাণিত। ৭৫ পরবর্তী দেশবিরোধী স্বাধীনতার বিরোধী জামায়েত ইসলামীকে দেশে সক্রিয় রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয় ক্যান্টনমেন্টে জন্ম নেওয়া দল বিএনপি। বর্তমানে বিএনপির সাথে একযোগে লিপ্ত রয়েছে জামাতে ইসলামী।
জামায়েত ইসলামী বাংলাদেশের ঘটে যাওয়া সকল ঘটনার সময় নিশ্চুপ থেকে পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে। তারা মূলত অগ্নি সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ বোমাবাজি চালাও করা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত রয়েছে। জেএমবি সন্ত্রাসী জঙ্গি সংগঠনের সাথে জামায়াতের সম্পৃক্ততা আছে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন। জামায়াতের নিশ্চুপ রাজনীতি দেশের জন্য কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে দেশের মানুষ তা আগেই বুঝতে পেরেছে। জামাত বাংলাদেশের পুরাতন একটি রাজনৈতিক দল হওয়া সত্বেও এদেশের যতসব অর্জন রয়েছে তার একটিতেও জামায়াতের সম্পৃক্ততা খুঁজে পাওয়া যায় না। বরং নানান রকম ষড়যন্ত্র অগ্নি সন্ত্রাস বোমাবাজি দেশবিরোধী করে কর্মকা- পাকিস্তানের সাথে হাত মিলানো ধর্ষণ ,অসাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি সব বিতর্কিত কর্মকা-ের সাথে জামায়াতের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত। জামাতে নিশ্চুপ রাজনীতি সব সময় ছিল দেশের জন্য ভয়ংকর। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু তানিয়ার জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ যখন ডিজিটাল বাংলাদেশের গ-ি পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে এই জামায়েত ইসলামী তখনো নানান রকম জঙ্গিবাদে কার্যক্রম করে বঙ্গবন্ধু তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করা, উন্নয়ন অগ্রগতি থামিয়ে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। আর জামাত পড়াতে এসব কর্মকা- করে যাচ্ছে ও নীরব অবস্থায় থেকে।
জামায়াত দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য আবারও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তারা আন্দোলনের নামে গত ৬ বছর দেশে নাশকতা চালিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করেছিল। এখনো তাদের ষড়যন্ত্র থেমে নেই। তারা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে আগামী নির্বাচনকে ভন্ডল করার জন্য জামায়েত ইসলামী বিএনপির সাথে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন দফারফা দেয়ার চেষ্টা করছে। তাছাড়া তাদের জঙ্গিবাদের কার্যক্রম বন্ধ নেই। বিএনপি জামায়াত এক দফার আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চায়। তাদের এক দফা হলো বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে হত্যা। দেশের মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে ধ্বংস করা। তাদের এক দফা হলো হত্যা-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা।তাদের এক দফা হলো দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যেভাবে দেশের উন্নয়ন করেছে সেটাকে ব্যাহত করা। দেশের অগ্রগতিকে রুদ্ধ করা। জামায়াত নিশ্চুপ থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের কার্যক্রম চালিয়ে রাজনীতির মাঠে যে ফায়দা হাসিল করতে চাচ্ছে এ ফায়দা হাসিলের মাধ্যমে তারা আগামী সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতায় আসতে চায়। বিএনপি-জামায়াত এই অশুভ শক্তি আবার ক্ষমতায় এলে দেশের মানুষ বিশেষ করে আমাদের মা, বোন, শিশুরা নির্যাতনের শিকার হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করবে। কেননা তারা শান্তি, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। সুযোগ পেলেই তারা দেশ তছনছ করবে, লুটতরাজ করবে, হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা বাধাবে। আজ বিশ্বদরবারে আমাদের যে মর্যাদা তা এরা ভূলুণ্ঠিত করবে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে জননেত্রী শেখ হাসিনা সকল অপরাজনীতির মোকাবেলা করে তার লড়াই-সংগ্রাম সামনের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। তার এ নেতৃত্ব ও সততা বিশ্বে অনন্য মর্যাদা পেয়েছে। এসব কিছু বন্ধ করতেই জামাত নিশ্চুপ রাজনীতি করে যাচ্ছে।
কোন রাজনৈতিক দল দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেও সেই দেশের রাজনীতিটি টিকে থাকা ঐতিহাসিক বিরল। বাংলাদেশের একমাত্র স্বাধীনতার বিরোধী ইসলামী এদেশের রাজনীতিতে টিকে আছে। তাদের টিকে থাকার একমাত্র কারণ হচ্ছে তারা পিছন থেকে নিশ্চুপভাবে জঙ্গীকার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। রাজনীতির প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করে ধর্মধর্মে বিভেদ তৈর করা। দলটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিলেও স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাদের প্রতিষ্ঠিত হতে খুব বেশি সময় লাগেনি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামী একটি আলোচিত এবং সমালোচিত নাম। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালের সংবিধানর ৩৮ ধারা অনুযায়ী রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অপব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। যেহেতু জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির মূল উপজীব্য ধর্ম, সেজন্য স্বাধীন বাংলাদেশে দলটির সাংগঠনিক অস্তিত্ব দৃশ্যত বিলীন হয়ে যায়।
বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর কোন অস্তিত্ব ছিল না। আর অস্তিত্ব না থাকার একমাত্র কারণ হচ্ছে এই দলটি ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের দোসর সাথে হাত মিলিয়ে এদেশের মা-বোনদের সম্মানে আঘাত এনেছে , তাদেরকে রাজনীতি করার অধিকার দেওয়া মানে হচ্ছে এদেশের ৩০ লক্ষ শহীদের সাথে বেইমানি করা ও এক কোটি সম্ভ্রম হারা মা বোনদের সাথে বেইমানি করার শামিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রকারী কোন দলকে রাজনীতি করতে দেবেন না এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু দৃশ্যপট বদলে যেতে থাকে মুজিব হত্যাকা-ের পর। জামায়েত ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারী সকলে যখন দেখতে পারছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার সুরক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে নিয়ে যাচ্ছেন আর তার জন্য তারা সঠিকভাবে দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে রাজনীতি করতে পারছেন না ।ঠিক তখনই তারা আঘাত হানেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ওপর।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের লাখো জনগণ জাতীয় পড়েছিল পাকিস্তানি বর্বর হানাদারদের উপর। বাংলাদেশের তৎকালীন জনগণের যুদ্ধের একটি ম্যান্ডেট ছিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে পরবর্তী রাষ্ট্র গঠন করা। আর সে অনুযায়ী সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ধর্মভিত্তিক রাজনীতি এ দেশের নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু ধর্ম ভিত্তিক রাজনীত নিষিদ্ধ করার কারণে ধর্মকে ব্যবহার করে যারা রাজনীতি করতে চান যেমন স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারদের সংগঠন জামায়েত ইসলামী বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। তারা নিশ্চুপ থেকে পিছন থেকে কলকাঠি নাড়া শুরু করেন। আর তাদের ইনস্টল রাজনীতির ষড়যন্ত্রের শিকার হন মহান স্বাধীনতার স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
বোঝাই যাচ্ছে জামায়াতের নিশ্চুপ রাজনীতি এদেশের জাতির জন্য কতটা অভিশাপ।এরপর জামাত শুরু করেন রাজনীতির নোংরা খেলা । যেই নোংরা খেলার মধ্যে ছিল অস্ত্র বাজি ,বোমাবাজি ,চাঁদাবাজি ,রাহাজানি, সন্ত্রাসী, জ্বালাপোড়া ,দাঙ্গা সৃষ্টি ,জঙ্গিবাদ সৃষ্টি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা। শুধু তাই নয়, দেশের নানান রকম বিশৃংখল পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য নানান সময়ে যেসব রাজনৈতিক দল উত্থান হয়েছে সেসবের পিছনেও হাত রয়েছে বিএনপি জামায়াতের। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন রাজনীতিতে হেফাজত ইসলামের উত্থান হয়েছে জামায়েত ইসলামের হাত ধরে।
২০২০ সালে জামায়াতের ইন্দনে হেফাজতে ইসলাম বঙ্গবন্ধুর মূর্তি অভিহিত করে রাজনীতির মাঠে এক নতুন ষড়যন্ত্র সৃষ্টি করেছেন জামায়েত ইসলাম। সেটি যদিও এবাদত ইসলামের ব্যানারে আন্দোলন হয়েছিল তবে তা ছিল জামায়েত ইসলামের নিশ্চুপ রাজনীতির আরেকটি নোংরা চাল। সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটিয়ে হাস ফেলার বড় ধরনের নীল নকশা নিয়ে মাঠে নেমেছে বিএনপি জামায়াত। আর তারা ২০২৪ সালের আসন্ন নির্বাচনে তাদের জন্য বিচ্ছিন্নতা থাকতে জঙ্গি গোষ্ঠী সংগঠন জেএমবি, হরকাতুল জিহাদ এদের সাথে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।
গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামায়াতে ইসলাম এবং তাদের সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত করা বা বিচার প্রক্রিয়ায় নানাবিধ বাধা সৃষ্টির জন্য তখন হেফাজতে ইসলামসহ অন্যান্য ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে ব্যবহার করেছে জামায়াতে ইসলাম। এর সঙ্গে জোটভুক্ত সংগঠন বিএনপি তো ছিলই। প্রতিষ্ঠার পর থেকে হেফাজতে ইসলাম যত দাবিদাওয়া বা সংঘাতপূর্ণ ঘটনার জন্ম দিয়েছে, তার ফসল কোন-না- কোনভাবে জামায়াতে ইসলামের ঘরেই উঠেছে। জামায়াতে ইসলামের রাজনৈতিক ইতিহাসই হলো ধর্মকে রাজনীতির একটি ট্রাম্প কার্ড হিসেবে ব্যবহার করা। এই ফায়দা হাসিলের জন্য তারা কখনও স্বনামে আবার কখনও ইসলাম ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন দলের ব্যানারে রাজপথে সন্ত্রাস চালায়। ২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি এবং জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিসহ ছয়দফা দাবি নিয়ে যখন শাহবাগ আন্দোলন শুরু হয় তখন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়ে জামায়াতে ইসলাম।
এরপর সারাদেশে শাহবাগ আন্দোলনের ২৩ সহযোদ্ধাকে খুন করা হয়। অনেকে এই মৌলবাদী অপগোষ্ঠীর হামলার শিকার হন। ব্লগার রাজীব হায়দার শোভন, আরিফ রায়হান দীপ, জগজ্যোতি তালুকদার, অভিজিত রায়, অনন্ত বিজয়, ফয়সল আরেফীন দীপনসহ অনেক সহযোদ্ধাকে হারায় শাহবাগ। প্রতিটি হত্যাকা-ের পেছনে জামাতে ইসলামের উস্কানি ও উল্লাস দেখা গেছে। ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকায় এই সাম্প্রদায়িক সংগঠন হেফাজত ও জামাত মিলে শাপলা চত্বর স্টাইলে নারকীয় সন্ত্রাসের তা-ব লীলা চালিয়েছে। সেই নারকীয় সন্ত্রাসের তা-বলীলায় অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর, হামলায় পুলিশ-বিডিআরসহ নিরীহ, নিরপরাধ মানুষজনের লাশ পড়েছিল। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন তৎকালীন অগ্নি সংযোগ আঞ্চলের পিছনে হাত রয়েছে জামায়েত ইসলামের। প্রকাশ্যে কখনো স্বীকার করছেন না। এসব বিতর্কিত জঙ্গিবাদ অসাম্প্রদায়িকতা মূলক কাজগুলো জামায়াতের দ্বারাই যা হয়েছে তা আজ সূর্যের আলোর মত স্পষ্ট। বর্তমানে ২০২৪ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি যতটা আর হাক ডাক দিচ্ছেন জামাত ইসলামকে ততটা দিতে দেখা যাচ্ছে না। আর তারা পিছন থেকে জঙ্গিবাদ বোমাবাজি করার জন্য ব্যস্ত রয়েছেন। ইসলামের সব বিতর্কিত কর্মকা- জঙ্গিবাদ অগ্নি সন্ত্রাস সৃষ্টি করা ককটেল নিক্ষেপ এগুলো এটাই প্রমাণ করে যে তারা নিশ্চুপভাবে দেশের রাজনীতিতে ভয়ঙ্কর ভাবে প্রভাব ফেলছেন। অতএব বলা যায় জামায়াতের নিশ্চুপ রাজনীতি দেশ ও জাতির জন্য কতটা হুমকি স্বরূপ ও ভয়ঙ্কর।