ঢাকা ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ভারত নির্বাচনে মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না: রিজওয়ানা হাসান টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে মোস্তাফিজের উন্নতি জান্নাতের টিকিট বিক্রিকারীরা মুনাফেক: পার্থ বাংলাদেশের নির্বাচন নিজস্ব উদ্যোগে পর্যবেক্ষণ করবে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাংকের ধস সামলাতে হাজার হাজার কোটি টাকা ছাপাতে হয়েছে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা আমরা সবাই মিলেমিশে সামনে এগোতে চাই: জামায়াত আমির যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ ফাঁড়ির টয়লেট থেকে কনস্টেবলের মরদেহ উদ্ধার আসন্ন নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট করলেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেউ উসকানিমূলক কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ডে পা দেবেন না : মির্জা আব্বাস ৭ম গগণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্তদের ১১ দফা নির্দেশনা দিলো এনটিআরসিএ

আগামীতে লটারিতেই সব স্কুলে ভর্তি: শিক্ষামন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ ডিসেম্বর, ২০২১,  8:21 PM

news image

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আমরা অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির বন্ধ করতে লটারি প্রক্রিয়ায় এসেছি। বর্তমানে জেলা পর্যায়েও এটা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় আমরা দেশব্যাপী লটারিতে ভর্তির প্রক্রিয়ায় যাব। যাতে ভর্তির ক্ষেত্রে অনিয়ম বন্ধ করা যায়। বুধবার বিকেলে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ডিজিটাল লটারির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, লটারি প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে কোচিং বাণিজ্য বন্ধ হবে।

অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির বন্ধ হবে। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ভর্তি হতে পারবে শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, আমরা বলা সত্ত্বেও অনেকে কেন্দ্রীয় লটারির বাইরে গিয়ে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় লটারি করছেন। তারা আমাদের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনের ভিত্তিতে আমরা তাদের সে প্রক্রিয়া অবলম্বনের অনুমতি দিয়েছি। তবে এগুলো খুব কম সংখ্যক প্রতিষ্ঠান। মন্ত্রী বলেন, কোনো স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তিতে অতিরিক্ত ফি নিলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কোনো ব্যবসার জায়গা নয়। এটা নৈতিকতা চর্চার জায়গা। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বোতাম চেপে লটারি কার্যক্রম শুরু ও ফল প্রকাশ করেন। অনলাইনে স্কুলে ভর্তির এ লটারি টেলিটকের বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে হচ্ছে। সারাদেশে ৪০৫টি সরকারি স্কুলের ৮০ হাজার ১৭টি শূন্য আসনের বিপরীতে মোট পাঁচ লাখ ৩৮ হাজার ১৫৩ জন শিক্ষার্থীর আবেদন লটারিতে জমা পড়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। লটারির জন্য ঢাকা মহানগরীর ৪৪টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তিনটি ফিডার শাখাসহ তিনটি গ্রুপে বিভক্ত করা হয়। আবেদনের সময় একজন শিক্ষার্থী একটি গ্রুপে পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ পাঁচটি স্কুলের নাম দিতে পেরেছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম