ঢাকা ০৫ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
৭ শর্ত না মানলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‘গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নয়, জনগণের সুরক্ষার জন্যই সাইবার সিকিউরিটি আইন’ ভুয়া ফেসবুক পেজ বন্ধে মাউশির ৭ দিনের আলটিমেটাম ভিসা থাকলেই ভারতে প্রবেশ করতে পারবে না বিদেশিরা: দিল্লি হাইকোর্ট সৌদিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথিদের হামলার নিন্দা জানাল বাংলাদেশ যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যব্যবস্থাসহ দেশের সব প্রতিষ্ঠানই বিধ্বস্ত: জামায়াত আমির ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নিজ দেশ জিম্বাবুয়েতে ফিরেও কাটছে না দুর্ভোগ

১৫ মাস পর কারামুক্ত জবি শিক্ষার্থী খাদিজা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ নভেম্বর, ২০২৩,  4:51 PM

news image

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় র্দীঘ প্রায় ১৫ মাস পর জামিনে কারামুক্ত হলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা।সোমবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। কাশিমপুর মহিলা কারাগারের ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র সুপার মো. শাহজাহান মিয়া জানান, রোববার সন্ধ্যায় খাদিজার জামিনের কাগজপত্র কারাগারে আসার পর তা যাচাই-বাছাই করা হয়। এরপর সোমবার ভোরে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু পরিবারের কোনো স্বজন না আসায় তিনি কারাগার থেকে বের হতে চাচ্ছিলেন না। পরে তার বোন এলে সকাল ৯টার দিকে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। এর আগে, গত ১৬ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ খাদিজাকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখেন। প্রসঙ্গত, খাদিজাতুল কুবরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। অনলাইনে সরকারবিরোধী বক্তব্য প্রচার এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অভিযোগে ২০২০ সালের অক্টোবরে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রাজধানীর কলাবাগান ও নিউমার্কেট থানায় পৃথক মামলা করে পুলিশ। মামলার অভিযোগপত্র দেওয়ার পর ২০২২ সালের ২৭ আগস্ট খাদিজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়ার পর গত প্রায় ১৫ মাস ধরে কারাগারে থাকায় দুটি সেমিস্টারের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি খাদিজা। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দুই মামলায় তার স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট। পরে জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম