ঢাকা ০৫ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ডিএসসিসি'র আওতায় ডেঙ্গু মোকাবেলায় আগাম জরিপ, ২৭ টি ওয়ার্ড চরম ঝুঁকিতে মহিষ পালনে নিশ্চিত হবে সুস্বাস্থ্য রক্ষা পাবে পরিবেশ হাম ও উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু মিঠাপুকুরে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে একে একে ৫ জনের মৃত্যু বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান রামিসা হত্যা মামলার রায় রোববার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ নিঃসঙ্গ মায়ের মৃত্যু ঘিরে ‘মিথ্যা তথ্য’ ছড়ানোর অভিযোগ ছেলের আর্জেন্টিনায় ১৪ বছরের কিশোরী হত্যা, রাজধানীতে বিক্ষোভ চলতি বছরেই দেশে শিশুদের মিড ডে মিলের ব্যবস্থা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

হেরেও কোয়ার্টার ফাইনালে লিভারপুল

#

স্পোর্টস ডেস্ক

০৯ মার্চ, ২০২২,  11:24 AM

news image

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে ইন্টার মিলানের কাছে হেরেছে লিভারপুল। হারলেও প্রথম লেগে বেশি ব্যবধানে জেতায় কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। মঙ্গলবার রাতে অ্যানফিল্ডে শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে ১-০ গোলে হেরেও চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে লিভারপুল। প্রথম লেগে ২-০ গোলে জেতায় দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে পরের ধাপে উঠেছে জার্গেন ক্লপের দল। স্বাগতিকদের তিনটি প্রচেষ্টা পোস্ট ও ক্রসবারে লাগে। তা না হলে ‘হাইভোল্টেজ ম্যাচটির’ রোমাঞ্চ অনেক আগেই শেষ হয়ে যেত। আত্মবিশ্বাসী লিভারপুল প্রথম মিনিটেই আক্রমণ শানয়। পাঁচ মিনিট পর লক্ষ্যে প্রথম শট নেয় ইন্টার।

কোনোটিই অবশ্য প্রতিপক্ষকে ভাবানোর মতো কিছু ছিল না। খেলার ৩০তম মিনিটে প্রথম গোলবঞ্চিত হয় লিভারপুল। বাঁদিক থেকে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের ফ্রি কিকে জোয়েল মাতিপের হেড ক্রসবারে বাধা পায়। এর পর ৪১তম মিনিটে একটা ভালো সুযোগ পেয়েছিল ইন্টার। তবে ডি-বক্সে ডান দিকের দাগের ঠিক বাইরে থেকে হাঁকান কালহানোগ্লুর নিচু ফ্রি কিক ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক আলিসন। দ্বিতীয়ার্ধের সপ্তম মিনিটে আবারও ব্যর্থ হয় লিভারপুল। দিয়েগো জটার ডি-বক্সে উঁচু করে বাড়ানো বল এগিয়ে গিয়ে ক্লিয়ার করতে পারেননি ইন্টার গোলরক্ষক, বল ফাঁকায় পেয়ে যান মোহামেদ সালাহ। কিন্তু তার নিচু কোনাকুনি শট পোস্টে লাগে। প্রথমার্ধে বিবর্ণ হয়ে থাকা মার্তিনেস ৬০তম মিনিটে প্রথম ভালো একটি সুযোগ পান। কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে হতাশ করেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার। পরের মিনিটেই অসাধারণ নৈপুণ্যে লড়াই জমিয়ে তোলার ইঙ্গিত দেন মার্টিনেস। সানচেসের পাস ধরে ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে দূরের পোস্ট দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি। বহুল কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে ইন্টার শিবিরে লড়াইয়ে ফেরার যে উচ্ছ্বাস যোগ হয়, গোল উদযাপন শেষে খেলা শুরু হতেই তা মিলিয়ে যায়। থিয়াগো আলকানতারাকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সানচেস। প্রতিপক্ষে এক জন কমে যাওয়ার সুযোগে আরও চাপ বাড়ায় লিভারপুল। কিন্তু এদিন দুর্ভাগ্য যেন আষ্টেপৃষ্ঠে চেপে ধরেছিল তাদের। ৭৭তম মিনিটে সালাহর আরেকটি শট পোস্টে লেগে ফেরে। পাঁচ মিনিট যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল লিভারপুল। লুইস দিয়াসের শট গোলরক্ষককে এড়িয়ে লক্ষ্যেই ছিল, শেষ মুহূর্তে ছুটে এসে স্লাইড করে ফেরান আর্তুরো ভিদাল। এতগুলো সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও গোল না পাওয়া এবং ঘরের মাঠে হারের হতাশা থাকলেও ম্যাচ শেষে হাসিমুখেই মাঠ ছাড়ে ক্লপ ও তার শিষ্যরা। আরেক ম্যাচে রবের্ত লেভানদোভস্কির হ্যাটট্রিকে সালসবুর্ককে ৭-১ গোলে হারিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৮-২ ব্যবধানে এগিয়ে শেষ আটে ওঠে বায়ার্ন মিউনিখ।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম