ঢাকা ১৯ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাভারে জনগনের চাহিদায় ফুতপাত দখলমুক্ত করলো সাভার উপজেলা প্রশাসন আশুলিয়ায় মাদ্রাসার নির্মানাধীন ভবন থেকে ২ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার সাপাহারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে স্টান্ডিং অর্ডার অন ডিজাষ্টার'র সভা অনুষ্ঠিত সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে হবে এইচএসসি পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষার সব দপ্তরের জন্য জরুরি নির্দেশনা স্ত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন অভিনেতা আলভী নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু সাগর-রুনি হত্যা: ১২৭ বারের মতো পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন

স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্বে না খেয়ে আট দিনের শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

#

২০ জুলাই, ২০২৩,  11:33 AM

news image

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় খেতে না পেয়ে আট দিনের শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, পারিবারিক দ্বন্দ্বে স্বামীর কাছে আট দিনের কন্যা সন্তানকে রেখে বোনের বাড়ি চলে যায় ওই এলাকার ফারজানা আক্তার নামে এক গৃহবধূ। চলে যাওয়ার পরের দিন শিশুটি কোনও খাবার না পেয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়লে ফারজানার কাছে নিয়ে যায় তার স্বামী রাজিব হোসেন। তখন শিশুটির কোনও সাড়া না পেয়ে শহরের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।  বুধবার রাতে ফতুল্লার শাসনগাও এলাকার বনশ্রী মোড়ের শাহজাহান খানের ভাড়াটিয়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজিবের সঙ্গে তার স্ত্রী ফারজানার ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে ১৪ মাস বয়সী পুত্র সন্তান ও ৮ দিন বয়সের কন্যা সন্তান রেখে ফারজানা তার বোনের বাসায় চলে যায়। এর মধ্যে পুত্রকে খাওয়ালেও কন্যাকে কোনও কিছু খাওয়াতে পারেনি রাজিব। পরের দিন বুধবার রাতে আট দিনের কন্যা নিথর হয়ে পড়লে রাজিব তার স্ত্রীর কাছে নিয়ে যায়। ফারজানা জানান, তার স্বামী রাজিব দু’টি শিশু সন্তান রেখে মারধর করে তাকে বাসা থেকে বের করে দেয়। পরের দিন মৃত সন্তান নিয়ে তার কাছে যায় রাজিব। রাজিব জানান, জেদ করে ফারজানা বাসা থেকে বের হয়ে যায়। পরে খাবার না পেয়ে কন্যা সন্তানটি মারা যায়। ফতুল্লা মডেল থানার এসআই জিয়াউর রহমান জানান,  লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম