ঢাকা ২৩ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মিয়ানমারে বৌদ্ধ বিহারে বিমান হামলায় নিহত ১৪ রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩ ইনিংস ব্যবধানে ২ দিনেই ম্যাকাই টেস্ট হারল বাংলাদেশ নৌ ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান কুয়েতে ভিসা নিয়ে নতুন নিয়ম, আর মিলবে না বিশেষ সুবিধা সচিবালয়ে প্রথমবার অফিস করছেন তথ্যমন্ত্রী আন্দালিব পার্থ, ফুল দিয়ে বরণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুলকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন মাঠেই থেমে গেল পর্তুগিজ ফুটবলারের জীবন ডিএমপির অভিযানে ৪৭০ জন গ্রেফতার

সিরিয়াল কিলার রসু খাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকবে কি না, রায় আজ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ জুলাই, ২০২৪,  11:14 AM

news image

চাঁদপুরের পারভীন হত্যা মামলায় সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের রায় আজ (৯ জুলাই)।

মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত ৪ জুলাই রসু খাঁসহ তিনজনের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষ হয়েছে। আজ (৯ জুলাই) বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে রায় ঘোষণা করবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রের এ আইন কর্মকর্তা বলেন, শুনানিতে সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ তিন আসামির অপরাধের ভয়াবহতা তুলে ধরেছি। আসামিদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার আর্জি জানিয়েছি।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মদনা গ্রামের ছিঁচকে চোর রসু খাঁ। মসজিদের ফ্যান চুরির ঘটনায় কমিউনিটি পুলিশের হাতে ধরা পড়ে সে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে একে একে বেরিয়ে আসে লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের তথ্য। এ সময় সে নিজের মুখে স্বীকার করে ১১ নারীকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা। ভালোবাসায় ব্যর্থ হয়ে একসময় সিরিয়াল কিলারে পরিণত হয় রসু খাঁ। টার্গেট ছিল ১০১টি হত্যাকাণ্ড ঘটানোর। আটকের আড়াই মাস আগে পারভীনকে হত্যা করে রসু খাঁ। রসু যাদের হত্যা করেছে তারা সবাই ছিল গার্মেন্টস কর্মী। পরে তাকে এবং তার দুই সহযোগীকে পারভীন হত্যা মামলায় আসামি করা হয়।

ওই হত্যা মামলায় সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ (৪৫) তিনজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। অপর দুইজন হলেন, রসু খাঁর ভাগনে জহিরুল ইসলাম (৩৫) ও তার সহযোগী মো. ইউনুছ (৩৮)। 

২০১৮ সালের ৬ মার্চ চাঁদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুল মান্নান এ রায় দেন। এরপর মামলার নথিসহ ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। একইসঙ্গে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম