ঢাকা ১৯ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার হবে: সিইসি একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে: রিজভী হামে মারা যাওয়া শিশুদের ৮২ শতাংশ পর্যাপ্ত বুকের দুধ পায়নি ভূমি অফিস মনিটরিংয়ে ডিসিদের ১৪ নির্দেশনা স্বামীর মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্তির আবেদন দীপু মনির নড়াইলে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড কলকাতায় নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ৫ জনের পরিচয় শনাক্ত: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে, বেতন কমল ৫ জনের

নড়াইলে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৯ আগস্ট, ২০২৬,  3:37 PM

news image

নড়াইলে পাঁচ বছরের শিশু জান্নাতুল মাওয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি রবিউল শিকদার রবিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। বুধবার দুপুরে নড়াইলের শিশু সহিংসতা প্রতিরোধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।


দণ্ডপ্রাপ্ত রবিউল শিকদার রবি সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের আতিয়ার রহমান শিকদারের ছেলে। আর নিহত জান্নাতুল মাওয়া একই গ্রামের মফিজুর শেখের মেয়ে।


শিশু সহিংসতা প্রতিরোধ ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিবুর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রবিউলকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন বিচারক।


মামলার বিবরণে বলা হয়, গত ২০ জুলাই বিকালে রবিউল জান্নাতুলকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যান। পরে পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে রবিউলের ঘরে যান। সেখানে মেঝেতে কাঁথা দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় জান্নাতুলকে পড়ে থাকতে দেখেন তারা। পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।


এ ঘটনায় ওই রাতেই জান্নাতুলের বাবা মফিজুর শেখ বাদী হয়ে রবিউল শিকদার রবির নাম উল্লেখ করে এবং কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন।


পরদিন ২১ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার দত্তপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে স্থানীয় লোকজন রবিউলকে আটক করে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।


এরপর ২২ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রবির সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। থানায় নিয়ে রবিউল শিকদার রবিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি শিশু জান্নাতুল মাওয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেন। একই দিন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি।


মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ২২ জুলাই এবং ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন ২৮ জুলাই হাতে পাওয়ার পর মামলার তদন্ত শেষ হয়। এরপর ৪ অগাস্ট সদর আমলি আদালতের বিচারক ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মারুফ হাসানের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম