ঢাকা ০৮ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাভারের তিনটি ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত হবেনা কেরানীগঞ্জের সাথে সিলেট ও বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ সাতক্ষীরায় ছয় কোটি টাকার নতুন ধরনের ‘কুশ’ মাদকসহ আটক ১ ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: জ্বালানিমন্ত্রী ওয়ালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দালালের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ, দুর্নীতিমুক্ত সেবা নিয়ে প্রশ্ন হাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যু দুই সপ্তাহ পর আংশিক চালু এলএনজি টার্মিনাল মিরাজের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের লড়াই ডকুমেন্টরিতে আবু সাঈদ ও খালেদা জিয়ার ছবি না থাকা নিয়ে যা বললেন রাষ্ট্রপতি ভিসা নিয়ে সতর্ক করলো ভারতীয় হাইকমিশন

শবেবরাত ক্ষমাপ্রার্থনার রাত

#

১৭ মার্চ, ২০২২,  10:01 AM

news image

শবেবরাত অর্থ মুক্তির রাত। হাদিসের ভাষায় বলা হয় ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’। আরবি ভাষায় বলা হয় ‘লাইলাতুল বারাত’। আল কোরআনে এ রাতকে লাইলাতুল মুবারকা বা বরকতময় রাত অভিহিত করা হয়েছে। এছাড়া তাফসির, হাদিস ও ফিকাহর ব্যাখ্যাগ্রন্থগুলোয় ভিন্ন নামে, ভিন্ন শব্দে ও ভিন্ন পরিভাষায় শবেবরাতের আলোচনা এসেছে। এ রাতকে ‘লাইলাতুল কিসমাহ’ বা ভাগ্যরজনীও বলা হয়। লাইলাতুত তওবাহ’ বা তওবার রাত, তওবা কবুল হয়। ‘লাইলাতুল আফউ’ বা ক্ষমার রাত। ‘লাইলাতুল ইৎক’ তথা জাহান্নাম থেকে মুক্তির রাত। ‘লাইলাতুত দোয়া’ বা প্রার্থনার রাত। ইবনে মাজাহয় এভাবে এসেছে- হজরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেন,

‘যখন তোমাদের কাছে শাবানের মধ্যরাত (শবেবরাত) উপস্থিত হবে তখন তোমরা সে রাতটি জাগ্রত থাক (নামাজ পড়ে, কোরআন তিলাওয়াত করে, তাসবিহ পড়ে, জিকির করে, দোয়া করে) এবং দিনের বেলা রোজা রাখ। কারণ এ রাতে মহান আল্লাহ সূর্যাস্তের পর থেকে ফজর পর্যন্ত দুনিয়ার আসমানে তাশরিফ আনেন এবং তিনি ঘোষণা করেন, আছে কি এমন কোনো ব্যক্তি যে তার গুনাহ মাফের জন্য আমার কাছে প্রার্থনা করবে। আমি তার গুনাহগুলো মাফ করে দেব। আছে কি এমন কোনো রিজিক প্রার্থনাকারী যে আমার কাছে রিজিক প্রার্থনা করবে? আমি তার রিজিকের ব্যবস্থা করে দেব। আছে কি এমন কোনো বিপদগ্রস্ত যে আমার কাছে বিপদ থেকে মুক্তি চাইবে? আমি তাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করব।  এভাবে পূর্ণরাত মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষণা হতে থাকে এবং বান্দাদের ওপর রহমত বৃষ্টির মতো নাজিল হতে থাকে।’ মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং ক্ষমা নিয়ে শবেবরাত আসে। আল্লাহ শুধু তাঁর বান্দাদের ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। এ রাতে তিনি তাঁর অসংখ্য বান্দাকে ক্ষমা করেন। হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, ‘রসুল (সা.) মধ্যশাবানের রাতে মদিনার কবরস্থান জান্নাতুল বাকিতে এসে মৃতদের জন্য দোয়া ও ইসতিগফার করতেন।’ তিনি বলেন, ‘এ রাতে মহান আল্লাহ বনি কালবের বকরির পশমের সংখ্যার চেয়েও বেশি-সংখ্যক বান্দাকে ক্ষমা করে দেন।’ (তিরমিজি)।

লেখক : ইসলামবিষয়ক গবেষক।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম