ঢাকা ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ভারত নির্বাচনে মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না: রিজওয়ানা হাসান টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে মোস্তাফিজের উন্নতি জান্নাতের টিকিট বিক্রিকারীরা মুনাফেক: পার্থ বাংলাদেশের নির্বাচন নিজস্ব উদ্যোগে পর্যবেক্ষণ করবে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাংকের ধস সামলাতে হাজার হাজার কোটি টাকা ছাপাতে হয়েছে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা আমরা সবাই মিলেমিশে সামনে এগোতে চাই: জামায়াত আমির যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ ফাঁড়ির টয়লেট থেকে কনস্টেবলের মরদেহ উদ্ধার আসন্ন নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট করলেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেউ উসকানিমূলক কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ডে পা দেবেন না : মির্জা আব্বাস ৭ম গগণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্তদের ১১ দফা নির্দেশনা দিলো এনটিআরসিএ

যৌবনকালের ইবাদত আল্লাহর বেশি পছন্দ

#

১৯ মার্চ, ২০২৩,  10:27 AM

news image

যৌবন আল্লাহ প্রদত্ত বিশেষ নিয়ামত, যা মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জীবনের মাঝামাঝি সময়ে দিয়ে থাকেন। কারণ মানুষ যখন ভূমিষ্ঠ হয়, তখন সে দুর্বল থাকে। কথা বলতে পারে না, নিজ হাতে খেতে পারে না। সব কাজেই তাকে মা-বাবা কিংবা অন্য কারো সহযোগিতা নিতে হয়। আবার বৃদ্ধকালেও মানুষ দুর্বল হয়ে পড়ে। তখন আবার মানুষ পরনির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এর মাঝামাঝি সময়েই মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের শক্তি-সামর্থ্য দিয়ে থাকেন, যা ব্যবহার করে তারা বিশ্ব জয় করতে পারে। এটা সবশক্তিমান আল্লাহর রীতি। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ, যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন দুর্বল বস্তু থেকে এবং দুর্বলতার পর তিনি শক্তি দান করেন। আর শক্তির পর তিনি আবার দেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং তিনিই সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।’ (সুরা: রোম, আয়াত: ৫৪)

যৌবন মানেই বন্ধু, আড্ডা, গান, মাস্তি নয়। মহান আল্লাহ ক্ষণিকের জন্য মানুষকে তাঁর এই বিশেষ নিয়ামত দিয়ে পরীক্ষা করেন। যারা তাতে উত্তীর্ণ হবে, তারাই সফল। আর যারা তা অবহেলা করবে, তারা চির ব্যর্থ। যে ব্যক্তি তার যৌবনকে আল্লাহর ইবাদতে ব্যয় করবে, কঠিন কিয়ামতের দিন সে মহান আল্লাহর আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবে। পবিত্র হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যেদিন আল্লাহর রহমতের ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না। সেদিন সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তাআলা তাঁর নিজের ছায়ায় আশ্রয় দেবেন। ... ২. সে যুবক যার জীবন গড়ে উঠেছে তার প্রতিপালকের ইবাদতের মধ্যে। (বুখারি, হাদিস: ৬৬০)

যুগে যুগে সব পাপ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুবকরাই দাঁড়িয়েছে। প্রতিটি জাতির ইতিহাসেই দেখা যায়, তাদের মুক্তি, শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে যুবকরাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তেমনই এক যুবক ছিলেন ইবরাহিম (আ.)। যিনি সর্বপ্রথম তাঁর গোত্রের মূর্তিপূজার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তাদের কেউ কেউ বলল, আমরা শুনেছি এক যুবক এই মূর্তিগুলোর সমালোচনা করে। তাকে বলা হয় ইবরাহিম।’ (সুরা : ইবরাহিম, আয়াত: ৬০)

মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের উপযুক্ত সময়ে বিশেষ বিশেষ নিয়ামত দান করেন। অনেক ক্ষেত্রেই মানুষের জন্য সেই উপযুক্ত সময় হলো যৌবন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর মুসা যখন যৌবনে পদার্পণ করল এবং পরিণত বয়স্ক হলো, তখন আমি তাকে বিচারবুদ্ধি ও জ্ঞান দান করলাম। আর এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কার দিয়ে থাকি।’(সুরা: কাসাস, আয়াত: ১৪)

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম