ঢাকা ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হলেন ৪০ কর্মকর্তা ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ ও পদ্মা ব্যারেজ করার প্রতিশ্রুতি গণতন্ত্রের উত্তরণে বাধা দিলে জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করবে: সালাহউদ্দিন রাজশাহীতে নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান ৭১ নিয়ে আগে মাফ চান, পরে ভোট চান: মির্জা ফখরুল আমরা আর কাউকেই টানাটানি করার সুযোগ দেব না: জামায়াত আমির সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গণ্ডগোলের পাঁয়তারা চলছে: গভর্নর সাংবাদিকরা পর্যবেক্ষণ করলে নির্বাচনে স্বচ্ছতা থাকবে: সিইসি বঙ্গোপসাগরে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া দিতে যাচ্ছে ভারত বিএনপির বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী কায়দায় অপপ্রচার চলছে: মাহদী আমিন

যুক্তরাজ্যে লাগামহীন বাড়ছে খাদ্যপণ্যের দাম

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২১ অক্টোবর, ২০২২,  9:36 AM

news image

যুক্তরাজ্যে দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে খাদ্যপণ্যের দাম। ১৯৮০ সালের পর দেশটিতে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে খাবারের মূল্য। মূলত লিজ ট্রাসের সরকার কর কমানোর ঘোষণা দিলে বাজারে অস্থিরতা দেখা যায়। মূল্যস্ফীতি ৪০ বছরের মধ্যে পৌঁছেছে সর্বোচ্চ পর্যায়ে। ব্রিটেনের নাগরিকদের জীবনযাত্রায় এটিকে বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান বিভাগ জানিয়েছে, বার্ষিকভিত্তিতে সেপ্টেম্বরে ভোক্তা মূল্যসূচক বেড়েছে ১০ দশমিক ১ শতাংশ। একই সময়ে খাদ্য পণ্যের দাম বেড়েছে ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ। প্রবাসী এক বাংলাদেশি বলেন, গ্যাস বিল, ইলেক্ট্রিক বিল সবকিছুর দাম বাড়ছে। নতুন সরকার এসে বলেছিল কমাবে কিন্তু পরে তারা আর পরিবর্তন করেনি। আরেকজন বলেন, বর্তমানে যুক্তরাজ্যের যে পরিস্থিতি, সব কিছুর মূল্য এতো বৃদ্ধি পেয়েছে, আমাদের মেনে নেয়া অনেক কষ্টকর। আশা করি, ব্রিটেনের রাজনৈতিক মহল এটি বিবেচনা করবে। দেশটির অর্থমন্ত্রী জেরেমি হান্ট জানিয়েছেন, চলমান পরিস্থিতিতে প্রাথমিকভাবে সবচেয়ে দুর্বলদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। একইসঙ্গে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করা হবে বলেও জানান হান্ট। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্রিটেন। সেইসঙ্গে করোনা পরবর্তী সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা ও যোগানে ঘাটতি এবং শ্রমিক সংকটের কারণে নাগরিকদের জীবনযাত্রার খরচ বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন লিজ ট্রাস। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার ছয় সপ্তাহের মাথায় বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। লিজ ট্রাস বলেন, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিরাট এক অস্থিরতার সময়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে এসেছিলেন। কিন্তু যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি কনজারভেটিভ পার্টির নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন, তা পূরণ করতে পারছেন না গত কয়েকদিন ধরে প্রধানমন্ত্রী ট্রাসকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যরা। তারা বলেন, লিজ ট্রাসের সময় ফুরিয়ে এসেছে। তাকে পদত্যাগ করতে হবে। বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্রাভারম্যানের পদত্যাগের পর চাপ আরও বাড়ে। লিজ ট্রাসের অনিশ্চয়তা শুরু হয় গত ২৩ সেপ্টেম্বর তার সরকারের প্রথম অর্থমন্ত্রী কোয়াসি কোয়ার্টেং সংক্ষিপ্ত বাজেট উপস্থাপন করার পর। ওই বাজেটে কর কমানোর ঘোষণা দিলে যুক্তরাজ্যের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। কমে যায় ব্রিটিশ পাউন্ডের দাম। এরপরই অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে কোয়াসি কোয়ার্টেংকে সরিয়ে দেন ট্রাস। 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম