ঢাকা ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি : নাহিদ ইসলাম এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে অহেতুক আতঙ্ক সৃষ্টি করা যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী ৩১ দফা সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিএনপি: ডা. শফিকুর রহমান ডিএসসিসির উদ্যোগে ‘জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন কৃষক কার্ডে যুক্ত হবে নতুন নতুন সেবা: কৃষিমন্ত্রী রাজধানীর যানজট নিরসনে ১১ প্রস্তাবনা হত্যাচেষ্টা মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন মারা গেছেন কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে হাম প্রতিরোধে গলিতে গলিতে প্রচারণা চালাতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস আজ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ মার্চ, ২০২২,  10:38 AM

news image

আজ ঐতিহাসিক ১৯ মার্চ। প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গাজীপুরের (সেই সময়ের জয়দেবপুর) জনগণ সম্মুখযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল। যুদ্ধে চারজন শহীদ হন। পাকিস্তানি হানাদারদের গুলিতে পঙ্গুত্ব বরণ করেন আরও অনেকে। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এরমধ্যে শহীদদের কবর জিয়ারত, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। বেলা ১১টায় গাজীপুর জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে আলোচনা সভা এবং বিকেলে জয়দেবপুর চৌরাস্তায় আলোচন সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর আন্দোলন দুর্বল করতে অন্যান্য সেনানিবাসের মতো জয়দেবপুরের দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যদের কৌশলে নিরস্ত্র করার জন্য তাঁদের অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় ঢাকা ব্রিগেড সদর দপ্তর। কিন্তু মুক্তিকামী বাঙালি সৈন্য ও স্থানীয় জনতা তাদের মতলব বুঝতে পেরে অস্ত্র জমা না দিয়ে চান্দনা চৌরাস্তা থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে বাধা দেওয়ার জন্য সড়কে অবরোধ সৃষ্টি করেন। ১৯ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জাহানজেব ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈন্যদের সতর্কতা ও রাস্তায় আন্দোলনকারীদের দেখে অস্ত্র জমা নেওয়ার আশা ত্যাগ করে ঢাকায় ফিরছিলেন। এ সময় ছাত্র-জনতা জয়দেবপুরের রেলক্রসিং এলাকা ও চান্দনা চৌরাস্তায় তাদের বাধা দেন। এ সময় পাকিস্তনি বাহিনী গুলি ছুড়লে ছাত্র-জনতা সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন হুরমত, নিয়ামত, কানু মিয়া ও মনু খলিফা। আহত হন আরও অনেকে। এরই ধারাবাহিকতায় শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিসংগ্রাম। তখন স্লোগান ওঠে ‘জয়দেবপুরের পথ ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো’। পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে ওটাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধ। ভাওয়াল রাজবাড়ির সামনে জাগ্রত ১৯ মার্চ স্মারক ভাস্কর্য ছাড়া দীর্ঘদিনেও ১৯ মার্চের শহীদদের বীরত্বগাথা সংরক্ষণে নেওয়া হয়নি কোনো পদক্ষেপ। লিখিত ইতিহাস না থাকায় সেদিনের সংগ্রাম হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ জয়দেবপুরের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে স্বহস্তে লিখে একটি বাণী দিয়েছেলেন। মহান স্বাধীননতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে এ বাণী বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ওই সময় বাণীতে বঙ্গবন্ধু বলেন, ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে আরও একটি স্মরণীয় দিন। এ দিন পাক মিলিটারি বাহিনী জয়দেবপুরে ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত দ্বিতীয় বেঙ্গল রেজিমেন্টের জওয়ানদের নিরস্ত্র করার প্রয়াস পেলে জয়দেবপুর থানা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের যৌথ নেতৃত্বে কৃষক, ছাত্র, জনতা সবাই বিরাট প্রতিরোধ সৃষ্টি করে। ফলে মিলিটারির গুলিতে তিনটি অমূল্য প্রাণ হারায়। যার কাছে যা আছে, তাই দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলো। জয়দেবপুরবাসীরা তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। আমি তাদের মোবারকবাদ জানাই।আজ ঐতিহাসিক ১৯ মার্চ। প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গাজীপুরের (সেই সময়ের জয়দেবপুর) জনগণ সম্মুখযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল। যুদ্ধে চারজন শহীদ হন। পাকিস্তানি হানাদারদের গুলিতে পঙ্গুত্ব বরণ করেন আরও অনেকে। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এরমধ্যে শহীদদের কবর জিয়ারত, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। বেলা ১১টায় গাজীপুর জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে আলোচনা সভা এবং বিকেলে জয়দেবপুর চৌরাস্তায় আলোচন সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর আন্দোলন দুর্বল করতে অন্যান্য সেনানিবাসের মতো জয়দেবপুরের দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যদের কৌশলে নিরস্ত্র করার জন্য তাঁদের অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় ঢাকা ব্রিগেড সদর দপ্তর। কিন্তু মুক্তিকামী বাঙালি সৈন্য ও স্থানীয় জনতা তাদের মতলব বুঝতে পেরে অস্ত্র জমা না দিয়ে চান্দনা চৌরাস্তা থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে বাধা দেওয়ার জন্য সড়কে অবরোধ সৃষ্টি করেন। ১৯ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জাহানজেব ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈন্যদের সতর্কতা ও রাস্তায় আন্দোলনকারীদের দেখে অস্ত্র জমা নেওয়ার আশা ত্যাগ করে ঢাকায় ফিরছিলেন। এ সময় ছাত্র-জনতা জয়দেবপুরের রেলক্রসিং এলাকা ও চান্দনা চৌরাস্তায় তাদের বাধা দেন। এ সময় পাকিস্তনি বাহিনী গুলি ছুড়লে ছাত্র-জনতা সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন হুরমত, নিয়ামত, কানু মিয়া ও মনু খলিফা। আহত হন আরও অনেকে। এরই ধারাবাহিকতায় শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিসংগ্রাম। তখন স্লোগান ওঠে ‘জয়দেবপুরের পথ ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো’। পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে ওটাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধ। ভাওয়াল রাজবাড়ির সামনে জাগ্রত ১৯ মার্চ স্মারক ভাস্কর্য ছাড়া দীর্ঘদিনেও ১৯ মার্চের শহীদদের বীরত্বগাথা সংরক্ষণে নেওয়া হয়নি কোনো পদক্ষেপ। লিখিত ইতিহাস না থাকায় সেদিনের সংগ্রাম হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ জয়দেবপুরের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে স্বহস্তে লিখে একটি বাণী দিয়েছেলেন। মহান স্বাধীননতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে এ বাণী বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ওই সময় বাণীতে বঙ্গবন্ধু বলেন, ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে আরও একটি স্মরণীয় দিন। এ দিন পাক মিলিটারি বাহিনী জয়দেবপুরে ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত দ্বিতীয় বেঙ্গল রেজিমেন্টের জওয়ানদের নিরস্ত্র করার প্রয়াস পেলে জয়দেবপুর থানা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের যৌথ নেতৃত্বে কৃষক, ছাত্র, জনতা সবাই বিরাট প্রতিরোধ সৃষ্টি করে। ফলে মিলিটারির গুলিতে তিনটি অমূল্য প্রাণ হারায়। যার কাছে যা আছে, তাই দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলো। জয়দেবপুরবাসীরা তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। আমি তাদের মোবারকবাদ জানাই।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম