ঢাকা ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে বিদায়ী ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখলেন মেসি রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ পদ্মা-মেঘনায় ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শুরু আজ ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ১৫ বছর পর শাহরুখের সঙ্গে পর্দায় ফিরছেন কারিনা কেনিয়ায় ইবোলায় প্রথম মৃত্যু, একই ফ্লাইটের ২৩ যাত্রীকে খুঁজছে কর্তৃপক্ষ চ্যাটজিপিটিতে পরিকল্পনা করে কানাডায় ৮ খুন, জড়িত সন্দেহে এবার মার্কিন নাগরিক গ্রেফতার নির্দেশ দিলেই বাজার দেখে লেনদেন করবে এআই চট্টগ্রাম বন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দার চাঞ্চল্যকর অভিযান সাতসকালে খুলনা বিএল কলেজ গেটে গুলি, যুবক আহত

মাতৃগর্ভে শিশুর ফুসফুসে টিউমার ছোট করলেন চীনের চিকিৎসকেরা

#

০৭ অক্টোবর, ২০২৬,  11:06 AM

news image

মায়ের গর্ভে থাকা শিশুর ফুসফুসে প্রায় পাঁচ সেন্টিমিটারের টিউমার হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসে চাপ দিচ্ছিল। চীনের চিকিৎসকেরা সূচের মাধ্যমে তাপ প্রয়োগ করে সেটি ছোট করেছেন। পরে জন্ম নেওয়া শিশুটি চার মাস বয়সেও উপসর্গমুক্ত ছিল।


সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, শেনজেন বাওআন নারী ও শিশু হাসপাতাল এবং চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ের দল চিকিৎসাটি করেছে। ঘটনাটি ২০ আগস্ট ‘আলট্রাসাউন্ড ইন অবস্টেট্রিকস অ্যান্ড গাইনিকোলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়।


শিশুটির ছিল কনজেনিটাল পালমোনারি এয়ারওয়ে ম্যালফরমেশন বা সিপিএএম। এতে গর্ভাবস্থায় ফুসফুসে অস্বাভাবিক টিস্যু তৈরি হয়। সাধারণত প্রাণঘাতী না হলেও দ্রুত বাড়লে বিপদ ঘটতে পারে।


গর্ভাবস্থার ২২ সপ্তাহে সমস্যাটি ধরা পড়ে। অস্বাভাবিক টিস্যু শিশুর বুকের ডান পাশের বড় অংশ দখল করেছিল। পেটেও বিপজ্জনকভাবে তরল জমেছিল।


বড় তরলভর্তি সিস্টে কখনো নল দিয়ে তরল বের করা যায়। কিছু জটিল ক্ষেত্রে গর্ভস্থ শিশুর অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সিস্টগুলো ছিল ছোট। চিকিৎসার লক্ষ্য করার মতো কেন্দ্রীয় রক্তনালিও ছিল না।


তাই চিকিৎসকেরা বেছে নেন ‘মাইক্রোওয়েভ অ্যাবলেশন’। এতে তাপ দিয়ে অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।


আলট্রাসাউন্ডে সরাসরি দেখে মায়ের পেট ও জরায়ুর ভেতর দিয়ে সরু সূচ শিশুর টিউমারে পৌঁছানো হয়। এরপর প্রায় দুই মিনিট মাইক্রোওয়েভ শক্তি দিয়ে তাপ প্রয়োগ করা হয়। সুস্থ অঙ্গের ক্ষতি এড়াতে পর্যবেক্ষণ চলছিল।


তিন দিন পর টিউমার অনেকটা ছোট হয়। পেটের তরলও সরে যায়। ৩৭ সপ্তাহে সিজারে জন্মের সময় শিশুটির ওজন ছিল প্রায় ২ দশমিক ৯ কেজি। চার মাসেও আর অস্ত্রোপচার লাগেনি।


প্রতি ২৫ থেকে ৩৫ হাজার গর্ভধারণে আনুমানিক একটিতে সিপিএএম হয়। চিকিৎসকেরা বলেছেন, একটি ঘটনা দিয়ে পদ্ধতির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা যায় না। নিয়মিত চিকিৎসায় ব্যবহারের আগে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম