ঢাকা ২৯ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক ব্রাজিলের হয়ে খেলা নিয়ে অবশেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন নেইমার নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপ খনন কাজ শুরু ১৩ জেলায় ব্যাপক বজ্রবৃষ্টির আভাস, নৌবন্দরেও সতর্কসংকেত হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেফতার শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর সুন্দরবনে বাড়ছে বাঘের সংখ্যা ইতালির কোচ হিসেবে ফিরছেন রবার্তো মানচিনি শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

মণিপুরে এআরের অভিযানে ১০ বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৫ মে, ২০২৫,  11:15 AM

news image

ভারতের মণিপুরের সীমান্ত সংলগ্ন চান্দেল জেলায় দেশটির অন্যতম আধা সামরিক বাহিনী আসাম রাইফেলসের (এআর) অভিযানে ১০ বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়েছেন।  বুধবার থেকে চান্দেল জেলার বিভিন্ন এলকায় অভিযান পরিচালনা কর এআর। এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের পক্ষ থেকে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মণিপুরের চান্দেল জেলার খেংজয় উপজেলার নিউ সামতাল গ্রামে অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে এ পর্যন্ত ১০ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়েছে। লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অভিযান চলবে। ২০২৩ সালের মে মাস থেকে বিভিন্ন জনজাতি অধ্যুষিত মণিপুরে জাতিগত সংঘাতের শুরু। সেই বছরে ৪ মে মণিপুরের হিন্দু ধর্মাবলম্বী মেইতেই জনগোষ্ঠীকে তফসিলি জাতি হিসেবে ঘোষণা করে মণিপুর হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে রাজ্যটির বৃহত্তম সংখ্যালঘু ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী জাতিগোষ্ঠী কুকি। কিন্তু খুবই অল্প সময়ের মধ্যে কুকিদের এই প্রতিবাদ-বিক্ষোভ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় রূপ নেয়। অশান্ত সেই পরিস্থিতির সুযোগে সক্রিয় হয়ে ওঠে বিদ্রোহী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অধিকাংশই কুকি এবং জো জাতিগোষ্ঠীর। মণিপুরে গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই জাতিগত সংঘাতে আড়াই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। বাড়িঘর ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়েছেন আরও কয়েক হাজার। এখনও রাজ্যের পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। সংঘাত শুরুর সময় মণিপুরের রাজ্য সরকারে বিজেপি ক্ষমতাসীন ছিল। গত ৯ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগ করেন মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং। তারপর ১৩ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হয় মণিপুরে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম