ঢাকা ১৪ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঈদে লম্বা ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি: নির্বাহী আদেশে ২৫ মে বন্ধ অফিস ২০২৭ সালে এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা, সেই ফোরকানের লাশ মিলল পদ্মায় শাপলা চত্বর মামলায় দীপু মনি-রূপা-মোজাম্মেল বাবু গ্রেপ্তার দেশের প্রয়োজনে মুক্তিযোদ্ধারা আবারও রাজপথে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু দেশীয় পশু দিয়েই কোরবানি হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নদীর বাঁধ ভেঙে হালুয়াঘাটের ২০ গ্রাম প্লাবিত দেশে ভোটার বাড়ল ৬ লাখ ২৮ হাজার সাতকানিয়ার পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

ভিকারুননিসার দুই শিক্ষকের রায় পেছাল

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ জানুয়ারি, ২০২৪,  1:57 PM

news image

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় দুই শিক্ষিকার রায়ের তারিখ পিছিয়েছেন আদালত। রোববার (২১ জানুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-১২ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে মামলাটির রায়ের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু রায় প্রস্তুত না হওয়ায় তারিখ পিছিয়ে দেন আদালত। মামলার দুই আসামি হলেন- নাজনীন ফেরদৌস ও জিনাত আক্তার। এদিন তারা আদালতে হাজিরা দেন। এর আগে ২৭ নভেম্বর ঢাকার ১২তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর অরিত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় তার বাবা দিলীপ অধিকারী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

এরপর ২০১৯ সালের ২০ মার্চ ওই দুই শিক্ষককে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কামরুল হাসান তালুকদার। আসামিদের নির্দয় ব্যবহারে অরিত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচিত হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় শ্রেণিশিক্ষক হাসনা হেনাকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করা হয়। একই বছরের ১০ জুলাই ওই দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ২৫ নভেম্বর এ মামলার বাদী ও অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারীর জবানবন্দির মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এরপরে ২০২০ সালের ২৩ আগস্ট অরিত্রী মা বিউটি অধিকারী আদালতে সাক্ষ্য দেন। এ মামলার ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর পরীক্ষা চলাকালে অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পান শিক্ষক। মোবাইল ফোনে নকল করেছে— এমন অভিযোগে অরিত্রীর মা-বাবাকে নিয়ে স্কুলে যেতে বলা হয়। দিলীপ অধিকারী তার স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে স্কুলে গেলে ভাইস প্রিন্সিপাল তাদের অপমান করে কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। অধ্যক্ষের কক্ষে গেলে তিনিও একই রকম আচরণ করেন। এ সময় অরিত্রী দ্রুত অধ্যক্ষের কক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। পরে শান্তিনগরে বাসায় গিয়ে তিনি দেখেন, অরিত্রী তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম