ঢাকা ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
এমপিওভুক্তি নিয়ে সুখবর দিলো মন্ত্রণালয় শহীদ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার ঢাকায় ৪০টি খেলার মাঠ করার প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে ইসিতে ১১ সংগঠনের স্মারকলিপি নির্বাচন স্থগিতের অপপ্রচারে কান না দেওয়ার আহ্বান ইসির নির্বাচনে ভোট কারচুপির শঙ্কা নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ৩৬ দিনে ১৫ নেতাকর্মী নিহত, টিআইবির প্রতিবেদন নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা থাইল্যান্ডে সংবিধান পরিবর্তনের প্রশ্নে চলছে গণভোট জোট জিতলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা জামায়াত আমিরের চার উপায়ে জানতে পারবেন আপনার ভোটকেন্দ্র কোথায়

ব্যাখ্যা দিতে হাইকোর্টে কক্সবাজারের ডিসি

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ অক্টোবর, ২০২২,  11:25 AM

news image

সমুদ্রসৈকত এলাকায় অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদে আদালতের নির্দেশনা পালন না করার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হাইকোর্টে হাজির হয়েছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক (ডিসি)। বুধবার (১৯ অক্টোবর) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে, গত ২৫ আগস্ট কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে (ডিসি) ১৯ অক্টোবর সশরীরের আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকসহ (ডিসি) পাঁচজনের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। তারা হলেন—

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমেদ, উপপরিচালক, টাউন প্লানার তানভির হাসান, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মামুনর রশিদ, পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান ও কক্সবাজার পৌর মেয়র মজিবর রহমান। ওই দিন আদালত অবমানার অভিযোগ সংক্রান্ত রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। নোটিশে বলা হয়, কক্সবাজার সৈকত এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ রাখতে সেখান থেকে সব অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদ করার আবেদন জানিয়ে জনস্বার্থে এইচআরপিবি আদালতে রিট মামলা দায়ের করলে আদালত রায় দেন। রায়ে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এলাকার অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য নির্দেশনা দেন। জনস্বার্থ বিবেচনা করে হাইকোর্ট ২০১১ সালের ৭ জুন বিবাদিদেরকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এলাকার অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দিলেও এখনও তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা হয়নি। এতে আরও বলা হয়, কয়েক দিন আগে এইচআরপিবির প্রতিনিধি সমুদ্রসৈকত এলাকায় পর্যবেক্ষণে গেলে সৈকত এলাকায় অনেক অবৈধ দখল ও স্থাপনা দেখতে পান। যদিও এর আগে রায় হওয়ার পরে আদালতের নির্দেশে সব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল। বর্তমানে ওই দখল ও স্থাপনা ভাড়া দিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কোটি কোটি টাকা আয় করছেন, কিন্তু প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে না, যা আদালত অবমাননার শামিল।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম