ঢাকা ০৯ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
শরিফ ওসমান হাদি হত্যা: গ্রেপ্তার দুজনকে দেশে ফেরানো প্রসঙ্গে যা বললেন আইজিপি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আজ থেকে বন্ধ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ভোট কারচুপির অভিযোগে হাইকোর্টে আরও ৫ প্রার্থীর মামলা কাল থেকে শুরু ফ্যামিলি কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম দুপুরের মধ্যে যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস ১৬ মার্চ খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত দুবাই প্রবাসী আহম্মেদ আলীর মরদেহ ঢাকায় রাজশাহীতে সিএনজি-ভটভটির মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩ দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন ঈদযাত্রায় ট্রেনের শেষ দিনের টিকিট বিক্রি হচ্ছে আজ

বেঞ্চে বসে থাকা স্যামসনই বিশ্ব জয়ের নায়ক

#

স্পোর্টস ডেস্ক

০৯ মার্চ, ২০২৬,  10:50 AM

news image

প্রথম পাঁচ ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন মাত্র একটিতে। মনে হচ্ছিল, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সামনের কোনো হয়তো আর সুযোগ পাবেন না সাঞ্জু স্যামসন। এর মধ্যেই এলো রিঙ্কু সিংয়ের বাবার অসুস্থতার খবর, একাদশে ঢুকে গেলেন স্যামসন। আর এই সুযোগটিই দুই হাতে নিলেন অভিজ্ঞ ব্যাটার।

সুযোগটি শুধু ব্যক্তিগত মাইলফলক গড়তেই নয়, ভারতকে বিশ্বকাপ জেতাতেই কাজে লাগালেন ৩১ বছর বয়সী ব্যাটার। নিউ জিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে শিরোপা জেতার পথে ফাইনাল ম্যাচে তিনি খেলেছেন ৮৯ রানের ইনিংস। এর আগের দুই ম্যাচে ছিলেন প্লেয়ার অব ম্যাচ!

সব মিলিয়ে টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে ৪ ম্যাচ বেঞ্চে বসে থাকলেও, শেষ দিকে সুযোগ পেয়ে স্যামসনই হয়ে গেলেন বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার। ভারতের ইতিহাস গড়া শিরোপা জয়ে তার হাতেই উঠেছে প্লেয়ার অব দা টুর্নামেন্ট পুরস্কার।

বিশ্বকাপে ভারতের দ্বিতীয় ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে প্রথম সুযোগ পান স্যামসন। সেদিন ৮ বলে ২২ রান করলেও পরের তিন ম্যাচে আর নামানো হয়নি তাকে। এরপর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ফেরা। সেদিন তিনি খেলেন ১৫ বলে ২৪ রানের ইনিংস।

তখনও বোঝার উপায় ছিল না, নিজের ঝুলিতে কী জমা রেখেছেন স্যামসন। সুপার এইটের শেষ ম্যাচে ভারতের বাঁচা-মরার লড়াইয়ে লক্ষ্য ছিল ১৯৬ রানের। সেদিন ১২ চারের ৪ ছক্কায় ৫০ বলে ৯৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জেতান স্যামসন।

সেই ছন্দ ধরে রাখেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমি-ফাইনাল ম্যাচেও। সেদিন তার ৮ চার ও ৭ ছক্কায় ৪২ বলে ৮৯ রানের সৌজন্যে ২৫৩ রানে পৌঁছায় ভারত। পরে জাসপ্রিত বুমরাহর দুর্দান্ত বোলিংয়ে ফাইনালে উঠে যায় ভারত। এই দুই ম্যাচেই স্যামসন পান ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

ধারাবাহিকতার নজির তিনি রাখেন ফাইনাল ম্যাচেও। কিউই বোলারদের পিটিয়ে ৫ চারের সঙ্গে ৮ ছক্কায় এদিন তিনি করেন ৪৬ বলে ৮৯ রান। পরপর তিন ম্যাচেই তার ব্যাট থেকে আসে ৮০ ছাড়ানো ইনিংস। বুমরাহ ১৫ রানে ৪ উইকেট নিয়ে জেতেন ম্যাচ সেরার স্বীকৃতি।

তবে সব মিলিয়ে মাত্র ৫ ম্যাচে ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেট ও ৮০.২৫ গড়ে ৩২১ রান করে স্যামসনই হন এই টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটার। ভারতের তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এই স্বীকৃতি পেলেন তিনি। আগের দুজন- বিরাট কোহলি (২০১৪ ও ২০১৬) ও বুমরাহ (২০২৪)।

টুর্নামেন্ট সেরা ক্রিকেটার হওয়ার পথে ২৪টি ছক্কা মেরেছেন স্যামসন। বিশ্বকাপের এক আসরে এটিই সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। এছাড়া বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনাল ও ফাইনালে ফিফটি করা বিশ্বের মাত্র তৃতীয় ব্যাটার স্যামসন। আগের দুজন শহিদ আফ্রিদি (২০০৯) ও বিরাট কোহলি (২০১৪)।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম