ঢাকা ১৯ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাভারে জনগনের চাহিদায় ফুতপাত দখলমুক্ত করলো সাভার উপজেলা প্রশাসন আশুলিয়ায় মাদ্রাসার নির্মানাধীন ভবন থেকে ২ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার সাপাহারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে স্টান্ডিং অর্ডার অন ডিজাষ্টার'র সভা অনুষ্ঠিত সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে হবে এইচএসসি পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষার সব দপ্তরের জন্য জরুরি নির্দেশনা স্ত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন অভিনেতা আলভী নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু সাগর-রুনি হত্যা: ১২৭ বারের মতো পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন

বন্যার পানি না কমায় বেড়েছে অচল টাওয়ারের সংখ্যা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬ আগস্ট, ২০২৪,  11:05 AM

news image

বন্যার পানি না কমার কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার মোবাইল অপারেটর কোম্পানির অসচল সাইটের (টাওয়ার) সংখ্যা আরও বেড়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন বিভাগ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। নোয়াখালী জেলায় অসচল সাইটের সংখ্যা বেড়েছে ৮৬টি (৭ দশমিক ৫ শতাংশ) এবং লক্ষ্মীপুর জেলার অসচল সাইটের সংখ্যা বেড়েছে ৩১টি (৪ দশমিক ৪ শতাংশ)। এই দুই জেলায় সবমিলিয়ে মোট অচল সাইটের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৯৪ এবং ৪৫টি। বিটিআরসি) ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন বিভাগেড় মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে অসচল সাইটের সংখ্যা ৯৮৮ থেকে ১০০১ তে বৃদ্ধি পেয়েছে। যা শতকরা হিসেবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ হতে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। অর্থাৎ আগের তুলনায় মোট ০ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। তবে ফেনী জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় অসচল সাইটের সংখ্যা কমেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই জেলায় অচল সাইটের পরিমাণ ৫৯১ থেকে ৫৩৮ তে হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু ফেনী জেলার ৩টি উপজেলা পুরোপুরি পানিতে নিমজ্জিত থাকায় নেটওয়ার্কের পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে শুরু করা যায়নি। মোবাইল অপারেটরদের গ্রিন ফিল্ড সাইটগুলো এখনও পানিতে ডুবে আছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, মূল ট্রান্সমিশন হাব সাইটগুলো তার গ্রিন ফীল্ড টাওয়ারের ওপর নির্ভর করে থাকে। গতকাল পর্যন্ত জেনারেটর দিয়ে এসব এলাকায় বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে অচল সাইটগুলো চালুর চেষ্টা করা হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম