নিজস্ব প্রতিবেদক
০৮ মার্চ, ২০২৬, 12:47 PM
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সংবাদ সম্মেলন সোমবার
নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে তারেক রহমানের সরকার। নারীদের স্বাবলম্বী করতে প্রতি মাসে কার্ডে দেওয়া হবে আড়াই হাজার টাকা। সোমবার (৯ মার্চ) এই প্রকল্পের বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলন করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। এছাড়া ১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল এলাকায় নারীদের হাতে এ কার্ড তুলে দেবেন সরকারপ্রধান। শনিবার (৭ মার্চ) রাতে বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘৯ মার্চ সকাল ১১টায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হবে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বক্তব্য দেবেন।’ উল্লেখ্য, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ১৪ উপজেলায় একটি করে ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড চালু করবে সরকার। কয়েকদিন আগে সরকারের পক্ষ থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বগুড়ায় হবে বলে জানানো হয়েছিল, পরে তা পরিবর্তন করা হয়েছে। বিএনপি মিডিয়া সেলের একজন কর্মকর্তা জানান, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঢাকার কড়াইল এলাকায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগের দিন সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে। সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘এই ফ্যামিল কার্ড হবে সার্বজনীন। অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উপ-কমিটি ছিল মন্ত্রিপরিষদের। সেই উপ-কমিটির সুপারিশের আলোকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে পাইলটিংয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। যাদের হতদরিদ্র্য বলি আমরা, অথবা দরিদ্র্য এবং নিম্নবিত্ত—এই তিন শ্রেণির সুবিধাভোগী আমাদের যে মায়েরা আছেন, একটি পরিবারের যে মা প্রধান, তারা এটার সুবিধা পাবেন। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকার ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে এটার ওপর কাজ করেছেন। প্রতি মাসে, আড়াই হাজার টাকা করে তারা আর্থিকভাবে সহযোগিতা পাবেন ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে। এই কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বিশ্বাস, ধর্ম-বর্ণ বিবেচনা করা হবে না। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রথমে একটি ওয়ার্ড, তারপর একটি ইউনিয়ন, তারপর আরেকটি ইউনিয়ন করে ধারাবাহিকভাবে কার্ড বিতরণ করা হবে। বাছাইয়ের জন্য তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে ‘ডোর-টু-ডোর স্টেপস অ্যাপ্রোচে’র সঙ্গে।