ঢাকা ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু ঢাকার পল্লবীতেও বাসে আগুন এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ১১৪ রানে হার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে খুবির ৪ শিক্ষার্থীসহ আসামি ২৯ আইফোন ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে মাথায় আঘাত করে হত্যা: পুলিশ সরকারি চাকরিতে তদবির করলেই বিভাগীয় ব্যবস্থা আমরা সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কার চাই: মিয়া গোলাম পরওয়ার চিকিৎসাসেবায় বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, দেশে আসছে বিশ্বসেরা প্রযুক্তি ঢাকায় ককটেল বিস্ফোরণের রহস্য জানাল পুলিশ অপ্রতিম হত্যায় গ্রেফতার ৪, অপরাধ স্বীকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফুটবল নয়, নজরদারির যন্ত্র! বিশ্বকাপের বলেই ধরা পড়বে সব গোপন স্পর্শ

#

স্পোর্টস ডেস্ক

২৫ মে, ২০২৬,  5:07 PM

news image

ফুটবল আর শুধু খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এটি এখন পরিণত হয়েছে একেবারে স্মার্ট সিস্টেমে। ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্যবহৃত হতে যাওয়া অফিসিয়াল ম্যাচ বল ট্রিওন্ডা সেই পরিবর্তনেরই বড় উদাহরণ। এই বল শুধু গোল করা বা পাস দেওয়ার জন্য নয়, বরং মাঠের প্রতিটি মুহূর্ত রেকর্ড করার মতো এক ধরনের লাইভ ট্র্যাকিং ডিভাইস হিসেবেও কাজ করবে। খেলা চলাকালীন বলের গতি, ঘূর্ণন, অবস্থান এবং খেলোয়াড়দের প্রতিটি স্পর্শ মুহূর্তের মধ্যেই শনাক্ত করতে পারবে এটি। অ্যাডিডাসের তৈরি এই বলের ভেতরে বসানো হয়েছে ৫০০ হার্টজ মোশন সেন্সর চিপ, যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার ডেটা সংগ্রহ করে। ফলে কোনো খেলোয়াড় কখন বল স্পর্শ করেছেন, কত জোরে কিক দিয়েছেন বা বল কোন দিকে ঘুরেছে, সবকিছুই নির্ভুলভাবে ধরা পড়বে। এই প্রযুক্তির কারণে ভিএআর ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে। স্টেডিয়ামের ক্যামেরা এবং বলের সেন্সর একসাথে কাজ করে পুরো ম্যাচের একটি ত্রিমাত্রিক চিত্র তৈরি করবে। এতে করে অফসাইড, হ্যান্ডবল বা বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত ও নির্ভুলভাবে নেওয়া সম্ভব হবে। তবে এই বল ব্যবহারে একটি নতুন বিষয় যুক্ত হয়েছে। ম্যাচের আগে ট্রিওন্ডা বল সম্পূর্ণ চার্জ করতে হবে। কারণ এর ভেতরের সেন্সর ব্যাটারির মাধ্যমে চালিত হয় এবং একবার চার্জ দিলে প্রায় ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত সচল থাকে। বলটির নকশাতেও রয়েছে আলাদা বৈশিষ্ট্য। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনকে তুলে ধরতে তিন দেশের পতাকার রঙ ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রিওন্ডা নামটিও এসেছে তিন তরঙ্গ ধারণা থেকে, যা এই তিন দেশের প্রতীক। ফিফার মতে, এই কানেক্টেড বল প্রযুক্তি ফুটবলের ভবিষ্যৎ বদলে দেবে। এটি শুধু খেলার গতি বাড়াবে না, বরং রেফারিং সিদ্ধান্তকে আরও নির্ভুল ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলবে। ১০৪ ম্যাচের এই বিশ্বকাপে ট্রিওন্ডা বল হয়ে উঠতে পারে মাঠের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত উপাদান। সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম