ঢাকা ১১ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
৩৫ বছর পর আবারও ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে বাংলাদেশ সৌদিতে নিহত ১৬ প্রবাসীর পরিবার পাবে বিশেষ অনুদান ‘সপ্তাহে একদিন বিনামূল্যে জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন করবে শিক্ষার্থীরা’ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি ডিএসসিসি এলাকা সবুজে ভরে তোলা হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক চাঁদপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩ বন্ধ ৪১ বিদ্যুৎকেন্দ্র, গ্রামে তীব্র লোডশেডিং যুদ্ধের কারণে বেশি ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর অন্যতম বাংলাদেশ কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নজরদারি হরমুজের পুরো নিয়ন্ত্রণ এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে, দাবি ট্রাম্পের

প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসছে

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ জুন, ২০২৬,  3:47 PM

news image

দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে একটি সুনির্দিষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা বা ভিশন নির্ধারণ করেছে সরকার। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মাথায় এই মহাপরিকল্পনা সাজানো হয়েছে, যার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিশ্বমানের যোগ্য নাগরিক তৈরি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং প্রাথমিক শিক্ষাকে সম্পূর্ণ কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করা।

মঙ্গলবার(১৬ জুন)  ঢাকায় র‌্যাডিসন ব্লু হোটেলে ‘ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন’ আয়োজিত ক্যামব্রিজ প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেডের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এসব পরিবর্তনের কথা তুলে ধরেন। 

শিক্ষা ব্যবস্থার এই আমূল রূপান্তরের জন্য প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ চারটি মূল স্তম্ভ এবং একটি আধুনিক উপাদানের কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানান, এখন থেকে কারিকুলামের আধুনিকায়ন, শিক্ষকদের মানোন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো এবং বিভিন্ন শিক্ষা ধারার সমন্বয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিক শিক্ষা এগোবে। এর সঙ্গে সম্পূর্ণ নতুন উপাদান হিসেবে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার তথা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের (ফিউচার জবস) উপযোগী বিশেষ শিক্ষা।

বর্তমানে দেশে মাদ্রাসা, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম কিংবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ২৭টিরও বেশি ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষা ধারা বিদ্যমান রয়েছে। এই ব্যবস্থার সংস্কার এনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সব ধারার শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করা হবে, যাতে প্রতিটি শিশু মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতার ক্ষেত্রে সমমানের সুযোগ পায়। এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্তরের বৈষম্য পুরোপুরি দূর করা সম্ভব হবে।

শিক্ষার এই গুণগত মান নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতার ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, চাকা ছাড়া যেমন গাড়ি চলতে পারে না, তেমনি যোগ্য শিক্ষক ছাড়াও কোনো কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা চলতে পারে না। দেশের বিপুলসংখ্যক প্রাথমিক শিক্ষকের জন্য বিশ্বমানের আধুনিক প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে ক্যামব্রিজের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাকে সরাসরি কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে বলেও তিনি জানান। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন এবং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম