স্পোর্টস ডেস্ক
২২ জানুয়ারি, ২০২৬, 10:43 AM
পিছিয়ে পড়েও স্লাভিয়া প্রাহাকে হারাল বার্সা
শুরুতেই গোল হজমের ধাক্কা সামলে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল বার্সেলোনা। স্লাভিয়া প্রাহাকে তাদেরই মাঠে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় সরাসরি খেলার আশা জিইয়ে রাখল হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। বুধবার রাতে রোমাঞ্চকর এক ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ৪-২ গোলে হারায় কাতালান জায়ান্টরা। ভাসিল কুসেইয়ের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর জোড়া গোল করে বার্সেলোনাকে এগিয়ে নেন ফের্মিন লোপেস। এরপর রবার্ট লেভানডস্কির আত্মঘাতী গোলে স্কোরলাইন সমতায় ফিরে আসে। দ্বিতীয়ার্ধে দানি ওলমোর দুর্দান্ত গোলে আবারও এগিয়ে যায় বার্সেলোনা, পরে ব্যবধান বাড়ান লেভানডফস্কি। খেলার ধারার বিপরীতে ১০ম মিনিটে এগিয়ে যায় স্লাভিয়া প্রাহা। কর্নারে সতীর্থের হেড দূরের পোস্টে পড়লে পা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠান চেক ফরোয়ার্ড ভাসিল কুসেই। ১৩তম মিনিটে আক্রমণে ওঠে বার্সেলোনা। রাফিনিয়ার ক্রসে রবার্ট লেভানডস্কির হেড ঠেকান স্বাগতিক গোলরক্ষক। ২৯তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে এরিক গার্সিয়ার নেওয়া শটও রুখে দেন তিনি। ৩৪তম মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান ফের্মিন লোপেস। ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের পাস পেয়ে বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তার কোনাকুনি শট গোলরক্ষকের হাতে লেগে জালে জড়ায়। ৪২তম মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। পেদ্রির পাস পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরাল শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন লোপেস। তবে সেই লিড ধরে রাখা যায়নি। ৪৪তম মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে প্রতিপক্ষের হেড লেভানডস্কির কাঁধে লেগে জালে ঢুকে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পেদ্রির শট ঠেকান গোলরক্ষক। দুই মিনিট পর ফের্মিন লোপেসের শট প্রতিহত করার পর ডি ইয়ং বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। ৬১তম মিনিটে রুনি বার্দগি ও পেদ্রির জায়গায় মার্কাস র্যাশফোর্ড ও দানি ওলমোকে নামান বার্সেলোনা কোচ। এর এক মিনিট পরই দুর্দান্ত গোলে দলকে এগিয়ে দেন ওলমো। প্রতিপক্ষের ডিফেন্স হেডে বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে বক্সের বাইরে থেকে তার জোরাল শট ওপরের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। ৭০তম মিনিটে স্কোরলাইন ৪-২ করেন লেভানডফস্কি। বক্সের ভেতর বাঁ দিক থেকে র্যাশফোর্ডের কাট-ব্যাক ছয় গজ বক্সে প্রথমে তার ঊরুতে লেগে আটকে যায়। পরে গোলরক্ষকের সামনে থেকে বল জালে ঠেলে দেন পোলিশ স্ট্রাইকার। শেষ দিকে রাফিনিয়া ও র্যাশফোর্ডের কয়েকটি ভালো সুযোগ ঠেকিয়ে দেন স্লাভিয়ার গোলরক্ষক, ফলে ব্যবধান আর বাড়াতে পারেনি বার্সেলোনা। নিষেধাজ্ঞার কারণে এই ম্যাচে খেলতে পারেননি বার্সেলোনার তারকা ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। সাত ম্যাচে চার জয় ও এক ড্রয়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে রয়েছে বার্সেলোনা। তাদের ওপরে থাকা তিন দল এবং নিচের চার দলেরও সমান ১৩ পয়েন্ট। প্রথম পর্বে বাকি আছে আর মাত্র এক রাউন্ড। ৩৬ দলের এই আসরে শীর্ষ আট দল সরাসরি শেষ ষোলোয় জায়গা পাবে। নবম থেকে ২৪তম স্থানে থাকা দলগুলো দুই লেগের প্লে-অফ খেলবে বাকি আটটি জায়গার জন্য।