ঢাকা ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু রাতে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভয়ংকর রূপে ডেঙ্গু, প্রাথমিক লক্ষণ নিয়ে ডব্লিউএইচও’র সতর্কবার্তা পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের পর সমাবর্তন ঘোষণার হিড়িক, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে ককটেল ফোটালেই ৫ হাজার টাকা, যোগাযোগে ভারতীয় নম্বর: ডিবি মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য পুলিশের ১২ নির্দেশনা ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল, উত্তাল সাগরে ১৮ জেলে পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ফিলিস্তিনিদের জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তার অঙ্গীকার কানাডার

নেপাল-চীন সীমান্তে ফের বন্যার আশঙ্কা, উপচে পড়ছে ব্যারিয়ার লেকের পানি

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৩০ আগস্ট, ২০২৬,  10:43 AM

news image

নেপাল চীন সীমান্তে ভয়াবহ বন্যার পর নতুন করে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বন্যার পানিতে তৈরি হওয়া একটি ব্যারিয়ার লেক উপচে পড়তে শুরু করেছে। তবে পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল এবং হ্রদটির পুরো বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ।


রবিবার তিব্বতের আঞ্চলিক সরকারের এক সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভিতে জানানো হয়, ব্যারিয়ার লেকের পানি ইতোমধ্যে উপচে পড়েছে এবং নিচের দিকে পানি বের হতে শুরু করেছে। কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং পুরো বাঁধ ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।


এর আগে লাংটাং লিরুং পর্বতের কাছে হিমবাহের একটি বড় অংশ ভেঙে নিচের নদীতে পড়ে। এতে তুষারধস ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়। এরপর পানি, গুঁড়িয়ে যাওয়া বরফ ও পাথরের বিশাল স্রোত নদী দিয়ে নিচের দিকে নেমে আসে। চীনা কর্মকর্তাদের দাবি, বরফ ও পাথরের ওই স্রোত মাত্র ৬ থেকে ৭ মিনিটে গিরং বন্দরে পৌঁছে যায়।


এদিকে নেপালের বন্যাকবলিত এলাকায় উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযানও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ভোতে কোশি নদীতে পানির প্রবাহ কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় রসুয়া, নুয়াকোট, ধাদিং ও চিতওয়ান জেলার উদ্ধারকর্মী এবং নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।


নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রসুয়া জেলায় ভোতে কোশি নদীর পানির প্রবাহ বেড়েছে। এ অবস্থায় নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ এবং উদ্ধারকর্মীদের সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আগেই মোবাইল ফোনে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। তবে তাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়নি।


অন্যদিকে চীনের তিব্বত অংশে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, সেখানে অন্তত ৫৪৬ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন।


চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভয়াবহ বন্যার পর এখনো নতুন করে কোনো জীবিত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এর আগে শনিবার দুজন গ্রামবাসীকে জীবিত উদ্ধারের কথা জানিয়েছিল চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।


বন্যায় গিরং বন্দরের একটি বড় প্রশাসনিক ভবনও পানির স্রোতে তলিয়ে যায়। উদ্ধারকারী দলের এক নেতা সিসিটিভিকে জানিয়েছেন, ভূমিধসের আওতায় থাকা ভবনগুলোর অধিকাংশই ধসে গেছে এবং কোনো কোনো স্থাপনার চিহ্নও আর দেখা যাচ্ছে না। সীমান্ত চৌকিতে উদ্ধারকারীরা এখনো জীবিত কারও সন্ধান পাননি। সূত্র: সিএনএন

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম