ঢাকা ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৯ ইউনিট প্রথম ধাপে ৮০০ ইউপিতে ভোট, বিশৃঙ্খলা ও প্রভাব বিস্তারে তাৎক্ষণিক শাস্তি এলপিজি সিলিন্ডার মিলছে না, কোথাও পেলে দাম বেশি শাহজালালে ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে সৌদিগামী সাড়ে ১৩ হাজার যাত্রী ৫ বছরে দেশে চিনির ব্যবহার কমেছে প্রায় ৩৩ শতাংশ বিপুল সামরিক ব্যয়-অত্যাধুনিক অস্ত্র, তবু হুতি হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ সৌদি আরব গোয়েন্দা তালিকায় রাজধানীর ৫৪৫ শীর্ষ চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসী বাংলাদেশ সিরিজের দল ঘোষণা করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ কলকাতায় ছুরি নিয়ে মমতার ওপর হামলার চেষ্টা, তরুণী আটক সোনাহাট স্থলবন্দরে ৭ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

নেদারল্যান্ডের ১০ স্কুলের ৯টির আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবারের দোকান: ইউনিসেফ

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৪ অক্টোবর, ২০২৬,  10:59 AM

news image

বড় শহরগুলোর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০টির মধ্যে ৯টির আশপাশে এমন দোকান রয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা সহজেই অস্বাস্থ্যকর খাবার কিনতে পারে। এসব দোকানের মধ্যে রয়েছে স্ন্যাকসের দোকান, সুপারমার্কেট ও মিষ্টির দোকান। পকেটের টাকা দিয়ে খাবার বা পানীয় কেনার সময় শিশুরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অস্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেয়।


ইউনিসেফের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে।


নেদারল্যান্ডসের পুষ্টিবিষয়ক সংস্থা ভোডিংসসেন্ট্রামের লিসবেথ ভেলেমা এনওএসকে বলেন, এত বিপুলসংখ্যক স্কুলের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা উদ্বেগজনক। তার মতে, চিনিযুক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবারের তুলনায় স্বাস্থ্যকর খাবার শিশুদের কাছে কম সুস্বাদু মনে হতে পারে। ফলে তাদের পক্ষে স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।


শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের কেনা খাবারের চার ভাগের তিন ভাগেরও বেশি অস্বাস্থ্যকর। স্কুলের বিরতিতে শিক্ষার্থীরা সহজেই সসেজ রোল, মিষ্টি, চিপস ও কোমল পানীয় কিনতে পারে।


বর্তমানে স্কুলের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো বিধিনিষেধ নেই। তবে স্থানীয় সরকারগুলো এ অবস্থার পরিবর্তন চায়। তাদের মতে, এ ধরনের খাবার বিক্রিতে কঠোর নিয়ম চালু করা প্রয়োজন। পাশাপাশি সুপারমার্কেটগুলোকে শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবারের বিকল্প বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।


চলতি মাসের শুরুতে আমস্টারডাম ইউএমসির এক গবেষণাতেও একই ধরনের চিত্র উঠে আসে। এতে দেখা যায়, মাধ্যমিক ও বৃত্তিমূলক বিদ্যালয়ের প্রায় ৯৪ শতাংশের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির দোকান রয়েছে।


এর আগে ১৪টি পৌরসভা স্কুলের আশপাশে নতুন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালুর বিষয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিল।


আলমেরে, আমস্টারডাম, ডেন বশ, লেইডেন, রটারডাম, উট্রেখট, দ্য হেগ, ব্রেদা, গ্রোনিঙ্গেন ও টিলবার্গ শহরের খাবারের দোকানগুলো এ গবেষণার আওতায় ছিল। সব শহরেই স্বাস্থ্যকর খাবারের তুলনায় অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রাধান্য দেখা গেছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম