ঢাকা ১৯ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাভারে জনগনের চাহিদায় ফুতপাত দখলমুক্ত করলো সাভার উপজেলা প্রশাসন আশুলিয়ায় মাদ্রাসার নির্মানাধীন ভবন থেকে ২ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার সাপাহারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে স্টান্ডিং অর্ডার অন ডিজাষ্টার'র সভা অনুষ্ঠিত সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে হবে এইচএসসি পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষার সব দপ্তরের জন্য জরুরি নির্দেশনা স্ত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন অভিনেতা আলভী নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু সাগর-রুনি হত্যা: ১২৭ বারের মতো পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন

নিখোঁজের ১১ ঘণ্টা পর ডোবায় মিলল শিশুর মরদেহ

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩,  11:06 AM

news image

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জান্নাতি খাতুন (৬) নামের এক শিশু বাড়ি থেকে সোনপাপড়ি কিনতে গিয়ে নিখোঁজের ১১ ঘণ্টা পর বাড়ির পাশের ডোবায় মিলল শিশুটির মরদেহ। সোমবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার ১২নং নিত্যানন্দনপুর ইউনিয়নের বাগুটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জান্নাতি খাতুন বাগুটিয়া গ্রামের খোকন ভূইয়ার কন্যা। শিশুটি বেলা ১২টা দিকে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে রাস্তার ধারে সোনপাপড়ি কিনতে যেয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর খোঁজাখুঁজির পর তাকে পাওয়া না গেলে বিকালে শৈলকুপা থানায় একটি জিডি দায়ের করেন শিশুটির পিতা। পরিবারের অভিযোগ শিশুটিকে ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। শিশুটির পিতা খোকন ভূইয়া বলেন, আমার শিশু কন্যা জান্নাতি সোমবার ১২টার দিকে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরে। বাড়ি ফিরে সে রাস্তার ধারে সোনপাপড়ি কিনতে যায়। এরপর জান্নাতি আর বাড়ি ফিরে আসেনি। বাড়ির পাশের বিভিন্ন পুকুরে সারাদিন তাকে খোঁজাখুঁজির করতে থাকি। এরপর পাওয়া না গেলে শৈলকুপা থানায় একটি জিডি দায়ের করি। হঠাৎ রাত ১০টার দিকে জান্নাতির মরদেহ পুকুরে ভাসতে দেখা যায়। পুকুর থেকে উদ্ধারের পর দেখা যায় তার ডান হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। শিশুটির পিতার অভিযোগ তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লুকিয়ে রাখা হয়। এরপর রাতের যেকোন সময় তাকে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়।  এ ব্যাপারে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, বাগুটিয়া গ্রামের ডোবা থেকে জান্নাতি নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত চলমান রয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম