ঢাকা ১৯ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাভারে জনগনের চাহিদায় ফুতপাত দখলমুক্ত করলো সাভার উপজেলা প্রশাসন আশুলিয়ায় মাদ্রাসার নির্মানাধীন ভবন থেকে ২ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার সাপাহারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে স্টান্ডিং অর্ডার অন ডিজাষ্টার'র সভা অনুষ্ঠিত সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে হবে এইচএসসি পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষার সব দপ্তরের জন্য জরুরি নির্দেশনা স্ত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন অভিনেতা আলভী নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু সাগর-রুনি হত্যা: ১২৭ বারের মতো পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন

নবীনগরে ভুট্টা প্রদর্শনী মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০১ মার্চ, ২০২৩,  11:02 AM

news image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রবি মৌসুমে রাজস্ব খাতের অর্থায়নে ভূট্টা ফসলকে আরো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আবাদ করে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার গোপালপুর ব্লকে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম লিটন এর সভাপতিত্বে এতে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সুশান্ত সাহা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার পরিমল দত্ত, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আবুল হোসেন প্রমুখ। এসময় স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধিসহ দুই শতাধিক কৃষক ও কৃষানী উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, নবীনগর উপজেলায় এবছর ভূট্টা আবাদ হয়েছে ৪০ হেক্টর জমিতে। তম্মধ‍্যে সবচেয়ে বেশি ভূট্টা আবাদ হয়েছে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের গোপালপুর ব্লকে। চলতি বছরে গোপালপুর ব্লকে প্রায় ১২০ বিঘা জমিতে ভূট্টা আবাদ হয়েছে। ভুট্টার দানা মানুষের খাদ্য হিসেবে এবং ভুট্টার গাছ ও সবুজ পাতা উন্নত মানের গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় বিধায় দিন দিন ভূট্টা চাষে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।  উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবুল হোসেন জানান, গত তিন বছর আগে এখানে ভূট্টা আবাদ হতো খুবই অল্প, এখন নবীনগরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভূট্টা আবাদ গোপালপুরে হয়। আমরা নিয়মিত জমি পরিদর্শন করে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সব ধরনের পরামর্শ দিচ্ছি। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, ভূট্টার দানা গত মৌসুমে ১৪০০ টাকা মন ছিল। পাশাপাশি ভূট্টার গাছ সাইলেজ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। যা উন্নতমানের গো খাদ্য। আমরা কৃষকদের ভূট্টার সাথে শুরু থেকে সাথী ফসল হিসেবে লালশাক, পালংশাক, ধনিয়া, মূলা চাষে উদ্বুদ্ধ করছি যা ভূট্টার সাথে সাথে দুই মাসের মধ্যে অতিরিক্ত একটি আয়ের সংস্থান করে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম