ঢাকা ১৪ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঈদে লম্বা ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি: নির্বাহী আদেশে ২৫ মে বন্ধ অফিস ২০২৭ সালে এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা, সেই ফোরকানের লাশ মিলল পদ্মায় শাপলা চত্বর মামলায় দীপু মনি-রূপা-মোজাম্মেল বাবু গ্রেপ্তার দেশের প্রয়োজনে মুক্তিযোদ্ধারা আবারও রাজপথে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু দেশীয় পশু দিয়েই কোরবানি হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নদীর বাঁধ ভেঙে হালুয়াঘাটের ২০ গ্রাম প্লাবিত দেশে ভোটার বাড়ল ৬ লাখ ২৮ হাজার সাতকানিয়ার পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

নবজাতক ও মায়ের মৃত্যু : আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন ডা. মিলি

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ জুলাই, ২০২৩,  5:04 PM

news image

ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় সেন্ট্রাল হাসপাতালের চিকিৎসক বেগম মাকসুদা ফরিদা আক্তার মিলির জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১৯ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে, একই মামলায় মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) সেন্ট্রাল হাসপাতালের শাহজাদী ও মুনা নামের দুই চিকিৎসককে জামিন দেন আদালত। পরে বিকেলেই চলমান ধর্মঘট স্থগিত করে প্রাইভেট চেম্বার ও অপারেশন চালুর ঘোষণা দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ সোসাইটি অব সার্জন বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম। উল্লেখ্য, প্রসব ব্যথা ওঠায় গত ৯ জুন রাতে সেন্ট্রাল হাসপাতালে ডা. সংযুক্তা সাহার অধীনে ভর্তি করা হয় মাহবুবা রহমান আঁখিকে। কিন্তু সেদিন সংযুক্তা সাহা দেশেই ছিলেন না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তথ্যটি গোপন রাখে। পরে সংযুক্তা সাহার দুই সহযোগী চিকিৎস ওই প্রসূতির পেট কাটতে গিয়ে মূত্রনালি ও মলদ্বার কেটে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়ে রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। অজ্ঞান অবস্থায় সিজার করে বাচ্চা বের করা হয়। এতে বাচ্চার হার্টবিট কমে গেলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। ১০ জুন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নবজাতককে মৃত ঘোষণা করে। এরপর আঁখির অবস্থার অবনতি হলে তাকে ল্যাবএইড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু ১৮ জুন আঁখিও মারা যান। এ ঘটনায় সেন্ট্রাল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা, প্রতারণা ও ভুল চিকিৎসায় মাহবুবা রহমান আঁখি ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন নিহতের স্বামী ইয়াকুব আলী। মামলার আসামিরা হলেন ডা. শাহজাদী মুস্তার্শিদা সুলতানা, ডা. মুনা সাহা, ডা. মিলি, সহকারী জমির, এহসান ও হাসপাতালের ম্যানেজার পারভেজ।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম