ঢাকা ০১ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মহান মে দিবস আজ : শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেফতার করা প্রয়োজন: নাহিদ ইসলাম প্রথমবারের মতো নারী পুলিশ সুপার পাচ্ছে ঢাকা জেলা কবে শতভাগ শিশু হামের টিকার আওতায় আসছে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘বিএনপির সময়ে শেয়ারবাজার লুটপাটের সুযোগ ছিল না, এবারও থাকবে না’ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১২ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি বিরোধী দলের আপত্তির মুখেই দুই বিল পাশ ২৩৮৬৫টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে, সংসদে আইনমন্ত্রী ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী

দুধ চা পানে কি আসলেই ওজন বাড়ে, যা বলছেন পুষ্টিবিদ

#

লাইফস্টাইল ডেস্ক

১২ ডিসেম্বর, ২০২৩,  3:13 PM

news image

দুধ চা প্রায় সবারই পছন্দের একটি পানীয়। পছন্দের হওয়ায় কেউ কেউ কিছুক্ষণ পরপর চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে থাকেন। যদিও স্বাভাবিকভাবেই বাসায়, বাসার বাইরে বন্ধুমহলে গল্প-আড্ডায়, অফিসে কাজের ফাঁকে কিংবা লাঞ্চের পর এবং রাতে বাসায় ফিরে চা খাওয়ার অভ্যাস অনেকের। কিন্তু দুধ চা যখন আপনার পছন্দের, তখন আর হিসাব করে পান করার কথা মনে থাকে না। অনেকেই বলে থাকেন দুধ চা পানে ওজন বাড়ে। এ নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্ক রয়েছে। মূলত ওজন বাড়া নির্ভর করছে চায়ে ব্যবহৃত উপাদানের ওপর। সাধারণত চায়ে ক্যালোরিও কম থাকে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে চায়ের সঙ্গে দুধ মেশালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ হ্রাস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।  চিনি পরিশোধিত হলে ক্যালোরি ছাড়া স্বাস্থ্যের জন্য সেভাবে উপকার পাওয়া যায় না। চিনির পরিমাণ, দুধের ধরন ও চা পানের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে ওজন বাড়বে কিনা। এ ব্যাপারে দেশের একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন পুষ্টিবিদ লিনা আকতার। এ পুষ্টিবিদের ভাষ্য, ওজন বৃদ্ধির সঙ্গে দুধ চায়ের প্রভাব মানুষ ভেদে ভিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শারীরিক ক্রিয়াকলাপ, বয়স, বংশগতি, লাইফস্টাইল ও সামগ্রিক খাদ্যের মতো কিছু কারণ প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। যেমন এমন অনেকেই রয়েছে যারা অল্প বয়সেই শারীরিক পরিশ্রম করেন। তাদের থেকে যেসব মানুষ বয়স্ক বা প্রবীণ তাদের লাইফস্টাইল কম বয়সীদের পরিশ্রমের তুলনায় কম হওয়ায় দুধ চা পানে ক্যালোরি কম খরচ হয়। আর দুধ চা পানের নিয়ম জানলে ওজন বৃদ্ধির ভয় থাকে না। দুধ চা পানের নিয়ম: বাজারে বিভিন্ন ধরনের দুধ রয়েছে। টোনড মিল্ক, লো-ফ্যাট, ফুলক্রিম গুঁড়া দুধ। এসব দুধের পুষ্টিগুলো সাধারণত এক হলেও এতে ফ্যাট বা চর্বির পরিমাণ পৃথক হয়ে থাকে। এ জন্য দুধ চা পানের সময় অবশ্যই চর্বিহীন পান করতে হবে। দুধ চা পানের সময় খেয়াল রাখতে হবে যে, দুধ যেন কম কিংবা পাতলা হয়। এতে দুধ সহজেই হজম হবে। আর এ থেকে গ্যাস বা অ্যাসিডিটির সমস্যাও হবে না। মাত্রাতিরিক্ত দুধ চা পান না করে পরিমিত করা উচিত। দিনে এক থেকে দুবার পান করতে পারেন। কেননা, চায়ে ক্যাফেইন এবং দুধে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও মিনারেলস থাকে। এ জন্য বেশি পরিমাণে চা পানে ক্যাফেইনের মাত্রা বেড়ে গেলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। দুধ চা পান করলে এতে পরিশোধিত চিনি ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক চিনি স্টিভিয়া দিতে পারেন। বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের জন্য এটি বেশি প্রয়োজন। আর যাদের ডায়াবেটিস বা শারীরিক কোনো সমস্যা নেই তারা লাল চিনি, গুড় বা মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। সঙ্গে আদা, দারুচিনি, এলাচি যোগ করতে পারেন। এসব উপাদান মেটাবলিজম উন্ন করে আপনার চর্বি কাটতে সহায়তা করে। এতে স্বাভাবিকভাবেই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া দুধ চা পান করলে কখনো অতিরিক্ত গরম করতে হয় না। অতিরিক্ত গরম করলে ট্যানিন বের হয়, যা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এ জন্য দীর্ঘ সময় নিয়ে গরম করা উচিত নয়। আর কনডেন্সড মিল্কে ক্যালো বেশি থাকায় এটি ব্যবহার না করাই ভালো।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম