ঢাকা ৩০ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাচ্ছে সরকার, বিনামূল্যে প্রাথমিক সেবা পাবে তৃণমূলের মানুষ দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে : মির্জা ফখরুল বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার বুধবার ‘ব্যাংক হলিডে’, বন্ধ থাকবে লেনদেন এইচএসসি শুরু বৃহস্পতিবার, থাকবে সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭১৯ রাজনগরে সড়কে প্রাণ গেল মা-ছেলের তিস্তা প্রকল্পে ঢাকার পাশে বেইজিং, গভীর পর্যবেক্ষণে ভারত দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ

ডাচদের স্তব্ধ করে টাইব্রেকার ভাগ্যে শেষ ষোলোতে মরক্কো

#

স্পোর্টস ডেস্ক

৩০ জুন, ২০২৬,  10:55 AM

news image

নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত সময়ের ৩০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষেও ভাঙেনি ১-১ গোলের সমতা। অবশেষে মেক্সিকোর মন্টেরেই স্টেডিয়ামে টাইব্রেকারে নেদারল্যান্ডসকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করল মরক্কো। ফেভারিট ডাচদের রুখে দিয়ে আরও একটি রূপকথার জন্ম দিল আফ্রিকান সিংহরা।


পেনাল্টি শুটআউটে দুই দলেরই প্রথম পাঁচ শটের দুটি করে মিস হলে ম্যাচ চরম নাটকীয়তায় রূপ নেয়। ডাচদের হয়ে প্রথম ও তৃতীয় শটে তিউন কুপমাইনার্স ও ওউত ওয়েঘর্স্ট গোল করলেও জাস্টিন ক্লুইভার্ট, কুইন্টেন টিম্বার এবং শেষ শটে ক্রিসেনসিও সামারভিল গোল করতে ব্যর্থ হন। অন্যদিকে মরক্কোর এল আইনাউই এবং চতুর্থ শটে তারকা আশরাফ হাকিমি মিস করলেও সুফিয়ান রাহিমি, চেমসেদিন তালবি এবং পঞ্চম শটে ইসমাইল সাইবারি ঠান্ডা মাথায় গোল করে মরক্কোকে উল্লাসের জোয়ারে ভাসান।


ম্যাচের শুরু থেকেই নেদারল্যান্ডসের শক্তিশালী আক্রমণভাগকে বোতলবন্দি করে রাখে মরক্কোর রক্ষণভাগ। প্রথমার্ধে আশরাফ হাকিমির নেতৃত্বে একের পর এক আক্রমণে ডাচ রক্ষণকে তটস্থ করে তোলে তারা। ২১ মিনিটে হাকিমির একটি দূরপাল্লার জোরালো শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন ডাচ গোলরক্ষক বার্ট ভেরব্রুগেন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে হাকিমির ফ্রি-কিক থেকে ইসমাইল সাইবারি ফাঁকায় বল পেয়েও সংযোগ করতে না পারায় নিশ্চিত গোলের সুযোগ হাতছাড়া হয় মরক্কোর। ফলে গোলশূন্যভাবেই বিরতিতে যায় দুই দল।


বিরতির পর কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে নেদারল্যান্ডস। ৪৮ মিনিটে রায়ান গ্রাভেনবার্খের শট ঠেকিয়ে দেন মরক্কোর বিশ্বস্ত গোলপ্রহরী ইয়াসিন বোনো। কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা না পেয়ে ৭১ মিনিটে একসঙ্গে দুটি পরিবর্তন আনেন ডাচ কোচ। ব্রায়ান ব্রবি ও নাথান আকে-কে তুলে মাঠে নামানো হয় ওউত ওয়েঘর্স্ট ও তিউন কুপমাইনার্সকে।


কোচের এই কৌশলী সিদ্ধান্ত মুহূর্তেই ফল এনে দেয়। ৭২ মিনিটে ওউত ওয়েঘর্স্টের হেড থেকে বল পেয়ে ক্রিসেনসিও সামারভিল ডিফেন্ডারদের চাপে পড়েও ফাঁকায় থাকা কোডি গাকপোর কাছে বল বাড়িয়ে দেন। সহজ ফিনিশে জাল খুঁজে নিয়ে নেদারল্যান্ডসকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এই লিভারপুল ফরোয়ার্ড।


১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর মরক্কো আরও মরিয়া হয়ে ওঠে। ম্যাচ যখন ডাচদের হাতের মুঠোয়, ঠিক তখনই ৯০ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। কর্নার থেকে ভেসে আসা দুর্দান্ত এক ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে নেদারল্যান্ডসের জাল কাঁপিয়ে দেন ডিফেন্ডার ইসা দিওপ। মরক্কোর জাতীয় দলের জার্সিতে এটিই তার প্রথম আন্তর্জাতিক গোল। যা মরক্কোকে রূপকথার মতো ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। অতিরিক্ত সময়ের ৩০ মিনিটেও কোনো দল গোল না পাওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। যেখানে স্নায়ুচাপ ধরে রেখে ডাচদের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট লুফে নেয় মরক্কো।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম