ঢাকা ২৬ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
দেশের শৃঙ্খলা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম লাগামছাড়ার আশঙ্কা এলএনজি সরবরাহ কমায় তিতাস এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট আজ বঙ্গভবন ছাড়ছেন মো. সাহাবুদ্দিন, চিকিৎসার জন্য যাবেন বিদেশে মরিয়ামের বাবাকে ঠিকাদারি লাইসেন্স করে দেন গাজী নজরুল দেশে আরও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘নউল’ রাজধানীতে গ্যাস বিস্ফোরণে স্বামী-ভাগ্নির পর ফাহিমার মৃত্যু সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মায় বিলীন শত শত বিঘা জমি

জেনেরিক ওষুধে ট্রাম্পের ২০০ শতাংশ শুল্ক, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হতে পারে কোন দেশের

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৩ জুলাই, ২০২৬,  11:02 AM

news image

যুক্তরাষ্ট্রে জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এবার নজিরবিহীন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ২০২৮ সাল থেকে আমদানিকৃত জেনেরিক ওষুধে প্রথমে ১০০ শতাংশ এবং পরবর্তীতে তা বাড়িয়ে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানোর কথা জানিয়েছেন তিনি। গত মঙ্গলবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই কড়া বার্তা দেন।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেই পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট জানান, আগামী ১ আগস্ট থেকে শুরু করে পরবর্তী দুই বছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আনা সব ধরনের জেনেরিক ওষুধে শূন্য শতাংশ শুল্ক বহাল থাকবে। তবে এই দুই বছরের ছাড়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেই শুরু হবে কঠোর শুল্ক নীতি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেসব ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করতে ব্যর্থ হবে, মূলত তাদের ওপর শাস্তি বা জরিমানা হিসেবেই ২০২৮ সালে প্রথম ধাপে ১০০ শতাংশ এবং পরবর্তী সময়ে ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।


প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুরু থেকেই তাঁর ‘মোস্ট-ফেভারড-নেশন’ ওষুধ মূল্যনীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ওষুধ প্রস্তুতকারকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছেন। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের অন্যান্য উচ্চ আয়ের দেশে মানুষ যে দামে ওষুধ শোনে বা কেনে, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরাও যেন ঠিক একই দামে বা তারচেয়েও কম খরচে ওষুধ কিনতে পারেন। তবে জেনেরিক ওষুধের ওপর বড় ধাক্কা আসলেও ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে পেটেন্ট করা, ব্র্যান্ডেড কিংবা নতুন উদ্ভাবনী ওষুধের ক্ষেত্রে বর্তমান নীতি অপরিবর্তিত থাকবে।


উল্লেখ্য, মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) তথ্য অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিক্রি হওয়া ওষুধের ৯০ শতাংশেরই বেশি জেনেরিক ওষুধ। ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ও ওষুধ খাতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এর আগে গত এপ্রিলে এক নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, আমদানিকৃত ব্র্যান্ডেড ওষুধ প্রস্তুতকারকরা যদি সরকারি নির্ধারিত মূল্যে ওষুধ বিক্রি করতে রাজি না হয় কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে তা উৎপাদনে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের ওপরও ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপানো হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম