ঢাকা ১১ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নভেম্বরের শেষের দিকে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু ‘গ্রেপ্তার বা আটক নয়, আমাকে অপহরণ করা হয়েছিল’: ধ্রুব রাঠি আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস: প্রতি ৩ সেকেন্ডে বিয়ের পিঁড়িতে এক শিশু রাত ১০টা পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদগামী সব ফ্লাইট বাতিল সৌদির বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যু, তীব্র প্রতিবাদ জানাল ঢাকা গ্যাস সিলিন্ডার থেকে বিস্ফোরণ: হাসপাতালে একই পরিবারের ৪ জন পদ্মার ভাঙনে বিপর্যস্ত শরীয়তপুর, ঝুঁকিতে বাজার-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সিলেটে বাসচাপায় মায়ের সঙ্গে প্রাণ গেল ৯ মাসের শিশুর সোমবার ‘ইন্ডিয়া’ জোটের দিল্লির রাজপথ দখলের ডাক যুক্তরাষ্ট্রে পৃথক বন্দুক হামলায় অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ১৪

জাপানি দুই শিশু মায়ের জিম্মায় থাকবে

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯ জানুয়ারি, ২০২৩,  10:19 PM

news image

মায়ের জিম্মায় থাকবে জাপানি দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনা। একই সঙ্গে মেয়েদের নিয়ে জাপান যেতে পারবেন তাদের মা। রোববার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের বিচারক দুরদানা রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে ২২ জানুয়ারি দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৯ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছিলেন একই আদালত। এরই ধারাবাহিকতায় আজ রায় দেয়া হলো। তারও আগে ১৫ জানুয়ারি তাদের বক্তব্য শুনে তা রেকর্ড করেন আদালত। ২০০৮ সালে জাপানি চিকিৎসক নাকানো এরিকোর সঙ্গে বাংলাদেশি প্রকৌশলী ইমরান শরীফের বিয়ে হয়।

দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২০ সালের শুরুতে বিচ্ছেদের আবেদন করেন এরিকো। এরপর ইমরান স্কুলপড়ুয়া বড় দুই মেয়েকে নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন। আর ছোট মেয়ে থেকে যান জাপানে মা এরিকোর সঙ্গে। তবে ওই দুই মেয়েকে জিম্মায় পেতে মহামারির মধ্যে গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশে আসেন এ জাপানি নারী। তিনি হাইকোর্টে রিট করলে তাদের সমঝোতায় আসতে বলেন বিচারক। তবে ওই দম্পতি সমঝোতায় না আসায় কয়েক মাস ধরে শুনানির পর হাইকোর্ট দুই সন্তানকে বাবার হেফাজতে রাখার সিদ্ধান্ত দেন। পাশাপাশি মা যাতে সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বাবাকে খরচ দিতে বলা হয়। এরপর হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন নাকানো এরিকো। পরে আপিল বিভাগ এক আদেশে শিশু দুটিকে মায়ের জিম্মায় রাখার নির্দেশ দিলেও বাবা তা না মানায় বিচারকরা উষ্মা প্রকাশ করেন। পরে আদালত শিশু দুটিকে বাবার হেফাজত থেকে এনে তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরে মায়ের হেফাজতে দেয়ার আদেশ দেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম