ঢাকা ০৫ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল ঘোষণা শতাধিক গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তদন্তের জালে বিসিএসআইআর স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক ইদ্রিস আলী প্রিজনভ্যান থেকে ‘পিচ্চি রাজা’ পালানোর ঘটনা সাজানো নাটক: জিএমপি সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ গেল বাংলাদেশির খলনায়ক ডনের জামিন ফের নামঞ্জুর রাজধানীতে অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধ চাইলে পর্তুগাল দলে ফিরতে পারবেন রোনালদো: জেসুস ইনুর সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী

চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল ঘোষণা

#

০৫ অক্টোবর, ২০২৬,  5:02 PM

news image

চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ বছর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কার্ল ডেইসেরথ, জার্মানির পিটার হেগম্যান ও জর্জ নাগেল। আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল এবং অপটোজেনেটিকস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তাদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।


বাংলাদেশ সময় সোমবার বিকেলে সুইডেনের স্টকহোমে এ বছরের নোবেল পুরস্কারের প্রথম বিভাগ হিসেবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।


নোবেল কমিটি জানিয়েছে, পিটার হেগম্যান ও জর্জ নাগেল ‘চ্যানেলরোডপসিন’ নামের একটি প্রোটিন আবিষ্কার করেন। তারা দেখতে পান, এই প্রোটিন কোনো কোষে প্রবেশ করানো হলে কোষটি আলোর প্রতি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে।


পরবর্তী সময়ে কার্ল ডেইসেরথ ইঁদুরের স্নায়ুকোষে চ্যানেলরোডপসিনের জিন প্রবেশ করান। এরপর ওই কোষে নীল আলো প্রয়োগ করে তিনি স্নায়বিক সংকেত সক্রিয় করতে সক্ষম হন। পরে তিনি প্রমাণ করেন, জীবিত ইঁদুরের মস্তিষ্কেও আলো ব্যবহার করে স্নায়ুকোষ নিয়ন্ত্রণের এই পদ্ধতি কার্যকর।


আলো ব্যবহার করে স্নায়বিক সংকেত নিয়ন্ত্রণের এই প্রযুক্তিই পরবর্তী সময়ে ‘অপটোজেনেটিকস’ নামে পরিচিত হয়। স্নায়ুবিজ্ঞানে কোষের কার্যক্রম বোঝা ও নিয়ন্ত্রণে এ পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


এ পর্যন্ত ২৩২ জন ব্যক্তি চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। সবচেয়ে কম বয়সে এ পুরস্কার পেয়েছিলেন কানাডার ফ্রেডেরিক ব্যান্টিং। ৩১ বছর বয়সে তিনি পুরস্কারটি পান। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি বয়সে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পান যুক্তরাষ্ট্রের পেটন রোস; পুরস্কার পাওয়ার সময় তার বয়স ছিল ৮৭ বছর।


এর আগে ২০২৫ সালে ‘পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স’ নিয়ে আবিষ্কারের জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পান যুক্তরাষ্ট্রের মেরি ই ব্রাঙ্কো ও ফ্রেড রামসডেল এবং জাপানের শিমন সাকাগুচি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম