চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের শপথে বাধা নেই: হাইকোর্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৯ জুলাই, ২০২৬, 1:13 PM
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৯ জুলাই, ২০২৬, 1:13 PM
চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের শপথে বাধা নেই: হাইকোর্ট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে বাধা নেই বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে আদালত এ রায় দেন।
এর আগ গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রার্থিতা বাতিলের বৈধতা নিয়ে জারি করা রুলের শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন।
আদালতে সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে এই আসনের জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী নুরুল আমিনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির ও আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
মামলার বিবরণ ও আইনজীবীরা জানান, ঋণখেলাপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশন ফটিকছড়ি আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করেছিল। পরে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন সারোয়ার। হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের ওই আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়ার নির্দেশ দেন।
হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে ‘লিভ টু আপিল’ (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ জামায়াত প্রার্থীর লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন। আদালত আদেশ দেন, সারোয়ার আলমগীর নির্বাচন করার সুযোগ পাবেন, তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই আসনের ভোটের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে।
পরবর্তী সময়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটে সারোয়ার আলমগীর বিজয়ী হলেও আদালতের ওই আদেশের কারণে নির্বাচন কমিশন এই আসনের চূড়ান্ত ফলাফল বা গেজেট প্রকাশ করতে পারেনি।
এদিকে জামায়াত প্রার্থীর আপিলের ওপর শুনানি শেষে গত ১৬ জুন আদেশ দেন আপিল বিভাগ। আপিল নিষ্পত্তি করে সর্বোচ্চ আদালত সম্ভাব্য দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টকে রুলটি নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত রাখার আগের আদেশটিই বহাল রাখা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় হাইকোর্টে রুল শুনানি শেষে এ রায় দেন।