ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
``গিভ টু গেইন'' প্রতিপাদ্যে কমিউনিটি ব্যাংকের আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন আপাতত জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই: প্রতিমন্ত্রী চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতার মৃত্যু প্রাথমিকের ১ কোটি ৪০ লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য সুখবর ঈদের ছুটির মধ্যে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা ফ্যামিলি কার্ড সবাই পাবেন, প্রত্যেক ঘরে ঘরে যাবে: এলজিআরডি মন্ত্রী জ্বালানি তেল নিয়ে মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার চালকদের জন্য বড় সুখবর শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধান কোচ গ্যারি কার্স্টেন মিরপুরে বাণিজ্যিক ভবনে আগুনের ঘটনায় বিমানবাহিনীর ২ সদস্যের মৃত্যু জনগণকে দেয়া সরকারের প্রতিশ্রুতি বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হবে না: প্রধানমন্ত্রী

গায়ক কেকের মৃত্যুর কয়েক মিনিট আগের ফুটেজ প্রকাশ

#

বিনোদন ডেস্ক

০২ জুন, ২০২২,  10:12 AM

news image

কলেজের অনুষ্ঠানে গান গেয়ে হোটেলে ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন গায়ক কৃষ্ণকুমার কুনাথ (কেকে)। হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতেই সব শেষ। তরতাজা কেকের এভাবে, অসময়ে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না তার গানের ভক্তরা। এখনো তাদের কানে একটানা বেজে চলেছে, ‘হাম রাহে ইয়া না রাহে কাল…’

কেকের মৃত্যুর প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর প্রকাশ্যে এসেছে একটি সিসিটিভি ফুটেজ। তাতে দেখা যাচ্ছে, হোটেলের লবিতে হেঁটে যাচ্ছেন কেকে। মনে করা হচ্ছে, লিফ্‌ট থেকে নেমে ওই লবি দিয়ে হেঁটেই ঘরে পৌঁছান শিল্পী। সূত্রের খবর, লিফ্‌টে ওঠার পর দৃশ্যত অসুস্থ লাগছিল তাকে। নিউমার্কেট এলাকার ওই বিলাসবহুল হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে অবশ্য কেকে-কে দেখে অসুস্থ মনে হয়নি। বরং স্বাভাবিক ছন্দে হাঁটতে হাঁটতেই চলে যেতে দেখা যায় তাকে। পাশে ছিলেন ম্যানেজার হিতেশ ভাট। কেকের পরনে ছিল অনুষ্ঠানেরই পোশাক, গলায় একটি সাদা তোয়ালে ছিল।

যে তোয়ালে দিয়ে অনুষ্ঠানে বারবার ঘাম মুছতে দেখা যায় তাকে। হিতেশের সঙ্গে গল্প করতে করতেই লবি দিয়ে সোজা হেঁটে ঘরের দিকে চলে যান তিনি। হিতেশ জানিয়েছেন, নিজের ঘরে ঢুকেই একটি সোফায় বসতে গিয়ে পড়ে যান কেকে। তখন টেবিলের কোনায় মাথা ঠুকে কেটে যায়। হিতেশ চিৎকার করে হোটেলের কর্মীদের ডাকাডাকি শুরু করেন। ততক্ষণে অচেতন হয়ে পড়েন কেকে। হোটেলকর্মীরা চিকিৎসককে ফোন করেন। চিকিৎসক বিপদ বুঝে কেকে-কে একবালপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। অত কম সময়ের মধ্যে অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা না হওয়ায় হোটেলের গাড়িতে তুলেই একবালপুর রওনা হতে হয়। কিন্তু যাত্রাপথেই সব শেষ। -সূত্র : আনন্দবাজার প্রত্রিকা

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম