ঢাকা ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চট্টগ্রাম বন্দরে ফের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক ভারতের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের ভোলায় যৌথ অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও গু‌লিসহ আটক ২ দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার: প্রেস সচিব ঢাকার দুইটি আসন অধিক ঝুঁকিপূর্ণ: সেনাবাহিনী আওয়ামী দোসর সাজ্জাদ মুহুরী সেচ প্রকল্পের টাকা লুটেপুটে কোটিপতি বোরকা পরে জাল ভোট দেওয়ার পাঁয়তারা করছে জামায়াত: মাহদী আমিন মালয়েশিয়ায় ক্রেনচাপায় বাংলাদেশি নিহত রাজনীতিকে পেশা নয়, কর্তব্য হিসেবে নিয়েছি : জামায়াত আমির বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা বাংলাদেশ: তারেক রহমান

খালাস চেয়ে প্রদীপ-লিয়াকতের আপিল

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২,  4:15 PM

news image

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপের খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিলটি করা হয়। তার আইনজীবী রানা দাশ গুপ্ত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) খালাস চেয়ে আপিল করেছেন। আপিল শুনানিতে প্রদীপের পক্ষে থাকবেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী ও আইনজীবী রানা দাশগুপ্ত। লিয়াকতের পক্ষে থাকবেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান।

এর আগে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও মো. লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত। কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল এ রায় ঘোষণা করেন৷ রায়ে টেকনাফ থানার এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত এবং কনস্টেবল রুবেল শর্মা ও সাগর দেবের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজারের বাহারছড়ার মারিশবুনিয়া গ্রামের মো. নুরুল আমিন, মোহাম্মদ আইয়াজ ও মো. নিজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত। বাকি সাতজন আসামি খালাস পেয়েছেন। ৩০০ পৃষ্ঠার রায়ের সারসংক্ষেপ পড়ে বিচারক বলেন, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে৷ আর তাতে আট আসামির সংশ্লিষ্টতা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।   এদিকে ৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে কক্সবাজার কারাগার থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রদীপ কুমার দাশ ও মো. লিয়াকত আলীকে বিশেষ ব্যবস্থায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে আসা হয়েছিল। পরে তাদের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে।  

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম