কেনিয়ায় ইবোলায় প্রথম মৃত্যু, একই ফ্লাইটের ২৩ যাত্রীকে খুঁজছে কর্তৃপক্ষ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৭ অক্টোবর, ২০২৬, 11:19 AM
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৭ অক্টোবর, ২০২৬, 11:19 AM
কেনিয়ায় ইবোলায় প্রথম মৃত্যু, একই ফ্লাইটের ২৩ যাত্রীকে খুঁজছে কর্তৃপক্ষ
কঙ্গো থেকে উগান্ডা হয়ে কেনিয়ায় ফেরা এক ব্যক্তি ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। মঙ্গলবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, এটি কেনিয়ায় প্রথম ইবোলা শনাক্তের ঘটনা। এরপর সীমান্তের প্রবেশপথগুলোতে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে এবং রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খোঁজা হচ্ছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আদেন দুয়ালে জানান, ওই কেনীয় নাগরিক শনিবার দেশে ফেরেন। রক্তক্ষরণজনিত জ্বরের লক্ষণ দেখা দেওয়ার পর পরীক্ষায় ইবোলা ধরা পড়ে। নাইরোবি হাসপাতালে আলাদা রেখে চিকিৎসা দেওয়ার সময় সোমবার গভীর রাতে তিনি মারা যান।
পরিবারের সদস্য ও চিকিৎসায় যুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীসহ তার সংস্পর্শে আসা ২৮ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। উগান্ডা থেকে একই ফ্লাইটে আসা আরও ২৩ যাত্রীকে খোঁজা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিচালক প্যাট্রিক আমোথ জানান, সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের ২১ দিন আলাদা রাখা হবে। পরীক্ষায় ভাইরাস না পাওয়া গেলে তাদের ছাড়া হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার নিয়ম মেনে মৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাফনের কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
মন্ত্রী জানান, ওই ব্যক্তি সাত বছর ধরে কঙ্গোতে থাকতেন। প্রায় এক মাস আগে অসুস্থ হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরে সড়কপথে উগান্ডার কাম্পালায় গিয়ে নাইরোবির ফ্লাইট ধরেন।
আমোথের ভাষ্য, তিনি আগে থেকেই চিকিৎসাধীন থাকায় বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় কোনো লক্ষণ ধরা পড়েনি। স্বজনেরা পরে তাকে হাসপাতালে নিলে সঙ্গে সঙ্গে আলাদা রাখা হয়।
মে মাসের মাঝামাঝি পূর্ব কঙ্গোতে শুরু হওয়া চলমান প্রাদুর্ভাবে কেনিয়া চতুর্থ আক্রান্ত দেশ। উগান্ডায় ২০ জন ও ফ্রান্সে একজনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল।
এই প্রাদুর্ভাবের কারণ বিরল বুন্দিবুগিও ভাইরাস। এর অনুমোদিত টিকা বা চিকিৎসা নেই। কঙ্গোতে পরীক্ষা চলছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করেছে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাকে ছাড়িয়ে ছড়াতে থাকায় এটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী ইবোলা প্রাদুর্ভাবে পরিণত হতে পারে।