ঢাকা ২৯ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
আনসারের দায়িত্বশীল ভূমিকায় বিমানবন্দরে হারানো ব্যাগ ফিরে পেলেন প্রবাসী ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫১২ সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭ হাজার ৩৬৪ শিক্ষার্থীর রাবিতে শিবির ও রাকসু নেতার মারধরে আহত ২ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ৯০৮ মানিকগঞ্জে স্কুলছাত্র সোহান হত্যার দায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর তৈরিকারকদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ফরিদপুরের নগরকান্দায় মানসিক ভারসাম্যহীন পাগলী মা হয়েছে বাবা হয়নি কেউ ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর যাওয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জামায়াত এমপি গোলাম রসুলের বাড়ি ঘেরাও

কেএনএফের প্রশিক্ষণ ঘাঁটিতে সেনাবাহিনীর হানা, অস্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  10:53 AM

news image

বান্দরবানের রুমায় সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) প্রশিক্ষণ ঘাঁটিতে অভিযান চালিয়েছে সেনাবাহিনী। এ অভিযানে কেউ আটক না হলেও অস্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে তাদের সেই ঘাঁটিটিও দখলে নেওয়া হয়েছে।  বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) এক বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে, গত ২৫ জুলাই ২০২৫ থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত টানা একমাস বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম রেং ত্লাং এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে সেনাবাহিনীর টহল দল সীমান্তবর্তী জনবসতিহীন এলাকায় বম পার্টির (তথাকথিত কেএনএ) একটি প্রশিক্ষণ ঘাঁটি চিহ্নিত করে এবং ব্যাপক তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত কাঠের রাইফেল, স্নাইপার অস্ত্রের সিলিং, মিলিটারি বেল্ট, কার্তুজ বেল্ট, পোচ, ইউনিফর্ম, বুট, কম্বল, ওয়াকিটকি চার্জার, সোলার প্যানেল, রসদ এবং বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও, সশস্ত্র সংগঠনটির প্রশিক্ষণ মাঠ, ফায়ারিং রেঞ্জ, পরিখা এবং বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা দখল করা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামে সব জাতিগোষ্ঠীর জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর এবং ভবিষ্যতেও সশস্ত্র দলগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয় আইএসপিআরের বার্তায়। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে রুমায় কেএনএফের অস্তিত্ব প্রথম প্রকাশ্যে আসে। বম, পাংখোয়া, লুসাই, খিয়াং, খুমি ও ম্রোদের নিয়ে এ সংগঠন গঠন করার কথা বলা হলেও সেখানে বম জনগোষ্ঠীর কিছু লোক রয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম