ঢাকা ০৪ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাভারে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ দূতাবাস ফ্রান্সের আয়োজনে প্যারিসে ৫৫তম মহান স্বাধীনতা-জাতীয় দিবস উদযাপন বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী সৌদি আরব আমির হামজার বিরুদ্ধে সমন জারি ‘যৌন নিপীড়ন’র অভিযোগ: জামিন পেলেন গায়ক জাহিদ অন্তু এক লাফে ৩৮৭ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম অবৈধভাবে মজুত করা ৩ লাখ ৭২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার এ বছর বর্ষায় রাজধানীর জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক ১১ দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা জুনের মধ্যে ‘বাংলা কিউআর’ চালু না করলে জরিমানা করা হবে

কারাগার থেকে সরাসরি পরীক্ষার হলে খাদিজা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ নভেম্বর, ২০২৩,  1:16 PM

news image

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় র্দীঘ প্রায় ১৫ মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হয়ে সরাসরি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা। সোমবার (২০ নভেম্বর) বেলা ১১টায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। এর আগে, সকাল ৯টায় গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান খাদিজা। মুক্তির পর কারাফটকের সামনে খাদিজা বলেন, আমার সঙ্গে অন্যায় হয়েছে। বিনাদোষে আমি প্রায় ১৫ মাস জেল খেটেছি। এর চেয়ে বেশি কিছু বলার মানসিকতা এখন আমার নেই। তিনি বলেন, কারাগারে নামাজ পড়ে, রোজা রেখে আর লেখাপড়া করে সময় কাটিয়েছি। আজকে আমার স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা। তাই এখান থেকে সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেব। এর আগে, গত ১৬ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ খাদিজাকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখেন। প্রসঙ্গত, খাদিজাতুল কুবরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। অনলাইনে সরকারবিরোধী বক্তব্য প্রচার এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগে ২০২০ সালের অক্টোবরে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রাজধানীর কলাবাগান ও নিউমার্কেট থানায় পৃথক মামলা করে পুলিশ। মামলার অভিযোগপত্র দেওয়ার পর ২০২২ সালের ২৭ আগস্ট খাদিজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়ার পর গত প্রায় ১৫ মাস ধরে কারাগারে থাকায় দুটি সেমিস্টারের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি খাদিজা। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি পৃথক আবেদনের প্রেক্ষিতে দুই মামলায় তার স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট। পরে জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম