ঢাকা ২১ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ২৬ এপ্রিল থেকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ‘বৃষ্টি বলয়’ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেন্ডার ইস্যুতে ক্যানসার হাসপাতালের উপপরিচালকের ওপর হামলা : র‍্যাব প্রশ্নফাঁস হয়নি, কঠোর নজরদারিতে চলবে পরবর্তী পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী বামনায় ​স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস লেনদেন ও ডিজিটাল ব্যাংকিং’ সভা ফের বদলাচ্ছে পুলিশের পোশাক, মন্ত্রণালয়ে চিঠি তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে বাসের ভাড়া নির্ধারণ হবে দমকা হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, ৩ নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত জারি

কলমানির সর্বনিম্ন হার বাড়ছে

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ অক্টোবর, ২০২৩,  10:49 AM

news image

*নগদ টাকার চাহিদা বৃদ্ধি
*ডলার বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ দামে

ব্যাংকগুলোতে নগদ অর্থের চাহিদা বাড়ার কারণে এক দিনের জন্য ধার বা কলমানির সুদের হার সর্বোচ্চ সাড়ে ৮ শতাংশে ওঠেছে। একই সঙ্গে সর্বনিম্ন হার ওঠেছে পৌনে ৭ শতাংশে। গড় হার ৭ দশমিক ৬২ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশনার কারণে সর্বোচ্চ হার বাড়ছে না। তবে সর্বনিম্ন হার বেড়ে যাচ্ছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন হারের মধ্যে ব্যবধান কমার কারণে গড় সুদের হার বেড়ে যাচ্ছে। আগে কলমানির সর্বনিম্ন হার ৬ শতাংশের মধ্যে থাকত। ফলে গড় হার থাকত ৭ শতাংশের নিচে। এখন সর্বনিম্ন হার বাড়ায় গড় হারও বেড়ে যাচ্ছে।

এদিকে ব্যাংকগুলোর ধারের স্বল্পমেয়াদি উপকরণের সুদের হার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ রয়েছে। এসব উপকরণে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন সুদ হার একই। মঙ্গলবার ব্যাংকগুলোতে কলমানি ও স্বল্প মেয়াদি ধার মিলিয়ে লেনদেন হয়েছে ৪ হাজার ৩৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে কলমানিতে লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ২৫১ কোটি টাকা। স্বল্পমেয়াদি নোটিশে সুদ ১০ শতাংশ সুদের ধার করা হয়েছে ৫২ কোটি টাকা। এর বাইরে ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বিশেষ তারল্য সহায়তার আওতায় আরও বেশি পরিমাণ অর্থ ধার নিচ্ছে। প্রতিদিনই ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তারল্য সহায়তা নিচ্ছে।

ব্যাংকগুলোতে ডলারের দামও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) বেঁধে দেওয়া সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে। সব ব্যাংকই আমদানিতে ১১০ টাকা ৫০ পয়সা করে বিক্রি করছে। গত মাসের শেষ দিকে ডলারের নতুন দাম কার্যকর হওয়ার ২/৩ দিনের মধ্যেই সর্বোচ্চ পর্যায়ে গেছে দাম। এদিকে রেমিট্যান্সের ডলার ব্যাংকগুলো বাফেদার বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে বেশি দামে কিনছে। রেমিট্যান্সের দর বেঁধে দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ ১১০ টাকা। কিন্তু অনেক ব্যাংক সর্বোচ্চ ১১৬ টাকা দামেও রেমিট্যান্স কিনছে। বেশির ভাগ ব্যাংকই ১১৩ থেকে ১১৪ টাকা করে রেমিট্যান্স কিনছে।

এদিকে নগদ ডলারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১১৪ টাকায় ওঠেছে। একটি বেসরকারি ব্যাংক ওই দামে নগদ ডলার বিক্রি করছে। অন্য ব্যাংকগুলোর বেশিরভাগই ১১২ থেকে ১১৩ টাকা করে নগদ ডলার বিক্রি করছে। তবে ব্যাংকে চাহিদা অনুযায়ী নগদ ডলার মিলছে না। খোলা বাজারে ডলারের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। সোমবারের মতো মঙ্গলবারও প্রতি ডলার গড়ে ১১৮ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১১৯ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও ১২০ টাকা বা এর চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। সূত্র : যুগান্তর 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম