ঢাকা ২৭ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার ঘটনা তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট ‘বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে’ হাম উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮২৫ সাতক্ষীরার আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গ্রেপ্তার উগ্র ইসলামপন্থিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল বুরকিনা ফাসো বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সম্মানি ভাতা বাড়ল ঢাকাসহ সারাদেশে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে টানা ৫ দিন এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা ৩০ জুলাই দিনব্যাপী সিএনজি স্টেশন বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার সার্ভেয়ার ও কানুনগোদের বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা

কঙ্গোতে ইবোলার নতুন শঙ্কা: এতিমখানায় ছড়াল সংক্রমণ, দুই শিশুর মৃত্যু

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১১ জুন, ২০২৬,  10:57 AM

news image

কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের পূর্বাঞ্চলে ইবোলার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই এক নবজাতকের মৃত্যু নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। জন্মের মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে শিশুটির মৃত্যু এবং পরবর্তী পরীক্ষায় ইবোলা সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়ায় স্থানীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।

দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ‘বাসওয়াজা’ নামের ওই নবজাতকের মা মে মাসের শেষ দিকে মারা যান। এরপর শিশুটিকে পূর্বাঞ্চলের ইতুরি প্রদেশের বুনিয়া শহরের একটি গির্জা পরিচালিত এতিমখানায় নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পরই তার জ্বর দেখা দেয় এবং কয়েক দিনের মধ্যেই অবস্থার অবনতি হয়ে মৃত্যু ঘটে। পরে পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়, সে ইবোলায় আক্রান্ত ছিল।

এই ঘটনার পর এতিমখানাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বাসওয়াজার সংস্পর্শে থাকা আরও কয়েকজন শিশুর মধ্যে উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত তাদের চিকিৎসার আওতায় আনা হয়। ৬৯ জন শিশুর ওই প্রতিষ্ঠানে আক্রান্ত ও ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষার পর পাঁচ শিশুর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে এবং তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এক বছরের কম বয়সী আরেক শিশুর শরীরেও ইবোলা শনাক্ত হয়। ‘শেরি’ নামে পরিচিত ওই শিশুটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

বুনিয়ার ইভানজেলিক্যাল মেডিকেল সেন্টারের প্রধান ডা. ফ্রেডি কিবওয়ানা জানান, চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইবোলার মতো সংক্রামক রোগে শিশুদের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ বা সীমিত স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বর্তমানে আক্রান্তদের আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও কাজ করছে। সূত্র : রয়টার্স।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম