ঢাকা ৩১ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি কর না বাড়িয়ে ​ ডিএসসিসির ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা দুই কোটি টাকার সরকারি মাল বিক্রি করে ভাগাভাগি, বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেস্টা সিলেটে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগমুক্ত রাখা সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২৩ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হলো মানবপাচারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চেক ডিজঅনার মামলার উদ্দেশ্য অর্থ আদায়, কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে অর্থায়ন করতে চায় চীনের ৩ প্রতিষ্ঠান প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ওষুধের দোকানে গর্ভপাতের বড়ি বিক্রির অনুমতি দিল যুক্তরাষ্ট্র

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৫ জানুয়ারি, ২০২৩,  11:14 AM

news image

যুক্তরাষ্ট্রে এখন থেকে যে কেউ খুচরা ওষুধ বিক্রির দোকান থেকে গর্ভপাতের বড়ি কিনতে পারবেন। বাইডেন প্রশাসনের নতুন একটি আইনের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো ওষুধের দোকান থেকে গর্ভপাতের বড়ি মিফেপ্রিস্টোন কেনার অনুমতি দিয়েছে দেশটির খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের। তবে গর্ভপাতের এই বড়ি কিনতে হলে এখনও চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র দেখাতে হবে। ব্যবস্থাপত্র দেখিয়ে খুচরা ওষুধ বিক্রির দোকান থেকে বা ডাকযোগে গর্ভপাতের ওষুধ কেনা যাবে। বর্তমানে রোগীরা মিফেপ্রিস্টোন জোগাড় করে স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে। নতুন নিয়মে দোকান থেকে তারা এই ওষুধ পাবে।

এতে দেশটিতে ওষুধের মাধ্যমে গর্ভপাতের সংখ্যা যে বাড়বে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এফডিএ তাদের ওয়েবসাইটে গত মঙ্গলবার জানিয়েছে, ওষুধ নিরাপত্তা সংক্রান্ত আরইএমএস প্রোগ্রামের অধীনে মিফেপ্রিস্টোনের নতুন সংস্করণ মিফেপ্রেক্স এবং এর অনুমোদিত জেনেরিক নির্দিষ্ট ফার্মেসি বা চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে বিতরণ করা যেতে পারে। গতবছর জুনে যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভপাত অধিকার আইন বাতিল করে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এতে গর্ভপাতকে বৈধতা দেওয়া ১৯৭৩ সালের আইনি সিদ্ধান্ত ‘রো বনাম ওয়েড’ অকার্যকর হয়ে পড়ে। আদালতের এ সিদ্ধান্তের কয়েক ঘণ্টা পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নারীদের কাছে গর্ভপাতের ওষুধ সহজলভ্য রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের আদেশ দিয়েছিলেন। গর্ভপাত অধিকার আইন বাতিল হওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভপাতের বড়ির চাহিদা বেড়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম