ঢাকা ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
এমপিওভুক্তি নিয়ে সুখবর দিলো মন্ত্রণালয় শহীদ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার ঢাকায় ৪০টি খেলার মাঠ করার প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে ইসিতে ১১ সংগঠনের স্মারকলিপি নির্বাচন স্থগিতের অপপ্রচারে কান না দেওয়ার আহ্বান ইসির নির্বাচনে ভোট কারচুপির শঙ্কা নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ৩৬ দিনে ১৫ নেতাকর্মী নিহত, টিআইবির প্রতিবেদন নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা থাইল্যান্ডে সংবিধান পরিবর্তনের প্রশ্নে চলছে গণভোট জোট জিতলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা জামায়াত আমিরের চার উপায়ে জানতে পারবেন আপনার ভোটকেন্দ্র কোথায়

এভাবে বললে বিচার বিভাগ ভেঙে পড়বে: নুরকে হাইকোর্ট

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ জানুয়ারি, ২০২৪,  3:25 PM

news image

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে উদ্দেশ করে হাইকোর্ট বলেছেন, আপনারা রাজনৈতিক নেতা। ভবিষ্যতে হয়ত রাষ্ট্র পরিচালনায় আসবেন। তাই বিচার বিভাগ নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করবেন না। আপনার বক্তব্য যেভাবে পত্রিকায় এসেছে, এভাবে বলে থাকলে বিচার বিভাগ ভেঙে পড়বে। আজ বুধবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব কথা বলেন। আদালত অবমাননা বিষয়ে তলবে এদিন সকালে হাইকোর্টে হাজির হন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। আদালতের নুরের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান। শুনানির শুরুতে নুরের আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, আপনারা আদালত অবমাননার রুল দিয়েছেন। রুলের ব্যাখ্যা দিতে আমাদের সময় প্রয়োজন। নুরুল হক নুরের বক্তব্য পত্রিকায় যেভাবে এসেছে উনি সেভাবে বলেননি। রুলের ব্যাখ্যায় আমরা প্রকৃত বক্তব্য তুলে ধরবো। এ সময় আদালত বলেন, আমরাও চাই বক্তব্য ডিফারেন্ট হোক। কারণ পত্রিকায় যেভাবে এসেছে, এভাবে বললে তো বিচার বিভাগ ভেঙে পড়বে। আপনারা রাজনৈতিক নেতা। ভবিষ্যতে হয়ত রাষ্ট্র পরিচালনায় আসবেন। তাই বিচার বিভাগ নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করবেন না। শুনানি শেষে আদালত অবমাননার ব্যাখ্যা দিতে নুরুল হক নুরকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট। সেদিনও তাকে আদালতে হাজির থাকতে হবে বলে আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে নুরের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার একটি অভিযোগ প্রধান বিচারপতি বরাবর উপস্থাপন করা হলে প্রধান বিচারপতি বিষয়টি বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। পরে হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে ১১ ডিসেম্বর নুরকে তলব করেন। এছাড়া নুরের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম